Dhaka ০৮:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
অসহায় নারীর জমিসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ, থানায় মেলেনি প্রতিকার গাইবান্ধায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদকের পুরস্কার বিতরণ গোবিন্দগঞ্জে বিষাক্ত মদপানে যুবকের মৃত্যু, অসুস্থ ২ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আজ পত্নীতলায় ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু শ্বশুরবাড়িতে আম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জামাইয়ের মৃত্যু  চিলমারীতে হঠাৎ দমকা হাওয়ায় ডুবে গেছে ৭টি নৌকা সুন্দরগঞ্জে বাড়ির যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করার প্রতিবাদে মানববন্ধন নওগাঁয় বাসের বক্সের ঢাকনার আঘাতে অটোরিকশার ১ যাত্রী নিহত, আহত ২ শিশু   সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণীতে বিশ্বকাপে জিতবে কোন দল?

প্রতিহিংসায় গাছ কাটছে না প্রতিবেশী, ইউএনও’র তদন্ত দায়সারা!  ঝুঁকিপূর্ণ গাছের নিচে সাংবাদিক পরিবারের বসবাস 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:২৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
  • ১৭৭ Time View

Oplus_0

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : 

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা শহরস্থ অতি পুরনো ও ঝুঁকিপূর্ণ কয়েকটি গাছের নিচে চরম আতঙ্কে বসবাস করছেন সাংবাদিক জিল্লুর রহমান মন্ডল পলাশ ও তার পরিবার। শুধু সাংবাদিক পরিবার নয়, বাসার সামনে ভাড়াটিয়া একাধিক দোকান মালিকরাও দিন-রাত আতঙ্কে ব্যবসা করছেন। গাছগুলো অপসারণে স্থানীয়ভাবে বহু চেষ্টা ছাড়াও প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেও প্রতিকার মেলেনি।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক পলাশ, যমুনা টেলিভিশন ও বাংলা ট্রিবিউনের গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি। তিনি জানান, বিট্রিশ আমল থেকে সাদুল্লাপুর ভূমি অফিস সড়কের চারমাথা মোড়ের পাশে তাদের বাবা-দাদার পরিবারের মালিকানাধীন ৮ শতক জমিতে বাসাবাড়ি ও গুদাম-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেই বাড়ির সীমানা ঘেঁষে প্রতিবেশী জাকিউল হক মানিকের জমিতে থাকা অতি পুরনো বিশালাকৃতির ৫-৬টি মেহগনির গাছ বহু বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। গাছগুলোর শিকড় দুর্বল হয়ে গিয়ে অধিকাংশ ডালপালা তাদের সীমানায় হেলে পড়েছে এবং যে কোনো সময় ভেঙে প্রাণঘাতি ও সম্পদের ক্ষতি ঘটাতে পারে। বিশেষ করে সামান্য বাতাস ও বৃষ্টিতে গাছগুলো দুলতে থাকে তখন শিশুরা পর্যন্ত ঘরে থাকতে ভয় পায়।

সাংবাদিক পলাশ অভিযোগ করেন, প্রতিবেশি গাছের মালিক মানিক পূর্ব থেকেই প্রতিহিংসাপরায়ণ আচরণ করছেন। সেকারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তিনি গাছগুলো না কেটে আমার পরিবারের মৃত্যু ফাঁদ তৈরি করে রেখেছেন।

তিনি আরও জানান, ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো অপসারণের জন্য স্থানীয়ভাবে বহু চেষ্টা শেষে গত ১৯ মে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করি। দীর্ঘ একমাস পর গত ১৮ জুন, ইউএনও আমার জ্ঞাতার্থে দায়সারা প্রতিবেদন দেন। যেখানে তিনি বা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কেউ সরেজমিনে তদন্তে যাননি। তবে উপজেলা বন বিভাগ এবং বনগ্রাম ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সরেজমিন পরির্দশনে গাছের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা নিশ্চিত করলেও প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার আশঙ্কা কিংবা পরিবারের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কোন কিছুই উল্লেখ করেনি।

অভিযোগকারীর দাবি, ইউএনও’র প্রতিবেদনে শুধু বলা হয়েছে, উক্ত জমিতে সরকারি কোন স্বত্ব ও স্বার্থ নেই এবং ‘আদালতে বাটোয়ারা মামলা চলমান’ থাকায় তার কিছুই করার নেই। প্রদত্ত প্রতিবেদনে ইউএনও’র দায়সারা মন্তব্য প্রশাসনিক দায়িত্ব এগিয়ে চলার শামিল এবং আইনগতভাবে অসম্পূর্ণ। উক্ত জমির বিরোধে আদালতে দুটি মামলা থাকলেও বাস্তবতা হলো গাছ কাটার বিষয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা নেই।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক পলাশ বলেন, জমির সীমানা অনুযায়ী বিবাদী গাছের মালিক বটে। বিরোধপূর্ণ কোন জমিতে গাছ কাটা বা অপসারণের বিষয় মামলার পরিধিতে পড়েনা, বিশেষ করে যখন তা প্রাণহানির ঝুঁকি সৃষ্টি করে। সে কারণে গাছ ভেঙে দুর্ঘটনার দায় মালিকের। যেহেতু গাছগুলো বাস্তবতায় বিপদজনক, ইউএনও গাছগুলো অপসারণে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ব্যবস্থা নিতে পারতেন। অথচ আইনিগত ক্ষমতা থেকেও চরম অবহেলা ও দায়িত্ব এড়িয়ে গেছেন তিনি। ফলে প্রতিকারের আশায় আইনগত দিক উল্লেখ করে গত রবিবার (২২ জুন) আবারও ইউএনও বরাবরে লিখিত আবেদন করেছি।

তবে দায়সাড়া তদন্তের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম। তিনি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ‘ভুক্তভোগীর আবেদনের প্রেক্ষিতে সহকারী কমিশানার (ভূমি) প্রেরিত তদন্ত প্রতিবেদনে জানান যে, উক্ত জমিতে কর ব্যতীত অন্য কোন সরকারি স্বত্ব ও স্বার্থ নেই এবং বর্ণিত জমি নিয়ে আদালতে বাটোয়ারা মামলা চলমান থাকায় উল্লেখিত আবেদনের বিষয়ে কোন করণীয় নেই।’

এদিকে, ঝূ্ঁকিপূর্ণ গাছের বিষয়টি শুধু সাংবাদিক পলাশের ব্যক্তিগত নয়, এটি জননিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ঝুঁকিপূর্ণ গাছসমূহের কারণে ভাড়াটিয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক-কর্মচারী এবং সাধারণ জনগণের জন্য প্রাণঘাতী হুমকি হয়ে রয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী দোকান মালিক মিলন মন্ডল ও মিঠুন সরকার বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ সবচেয়ে বড় মেহগনির গাছ দীর্ঘদিন ধরে দোকান ঘরের টিনের চালার সঙ্গে হেলে রয়েছে। বৃষ্টি বা সামান্য ঝড় হলেই গাছগুলো দুলতে থাকে। আমরা সারাক্ষণ ভয়ে থাকি, কখন কী ঘটে। তারপরেও চরম চরম ঝুঁকি নিয়ে ব্যবসা করতে হচ্ছে।’

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ ঝূঁকিপূর্ণ এসব গাছের বিষয়টি জানা আছে এলাকাবাসীর। তাদের দাবি, প্রশাসনের ব্যর্থতা এবং প্রভাবশালী গাছ মালিকের প্রতিহিংসার কারণে পুরো এলাকা মৃত্যু ঝুঁকির মধ্যে আছে।

স্থানীয়দের অনেকেই গাছ মালিক মানিকের বিরুদ্ধে দখলদারিত্ব, প্রভাব খাটানো ও প্রতিহিংসার অভিযোগ করেছেন। তারা জানান, আশেপাশের আরও অনেকের সঙ্গে জমি বিরোধে জড়িয়েছেন তিনি। বর্তমানে আদালতে চলমান অন্তত ৮-১০টি মামলার বাদি-বিবাদী তিনি। স্থানীয়রা দ্রুতই ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলোর অপসারণ এবং স্থানীয় জনগনের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে অভিযুক্ত গাছ মালিক জাকিউল হক মানিক জমি নিয়ে মামলা থাকার অজুহাতে গাছ কাটতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, প্রতিহিংসা নয়, জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলায় গাছ কাটা সম্ভব হচ্ছেনা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

অসহায় নারীর জমিসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ, থানায় মেলেনি প্রতিকার

প্রতিহিংসায় গাছ কাটছে না প্রতিবেশী, ইউএনও’র তদন্ত দায়সারা!  ঝুঁকিপূর্ণ গাছের নিচে সাংবাদিক পরিবারের বসবাস 

Update Time : ০৪:২৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : 

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা শহরস্থ অতি পুরনো ও ঝুঁকিপূর্ণ কয়েকটি গাছের নিচে চরম আতঙ্কে বসবাস করছেন সাংবাদিক জিল্লুর রহমান মন্ডল পলাশ ও তার পরিবার। শুধু সাংবাদিক পরিবার নয়, বাসার সামনে ভাড়াটিয়া একাধিক দোকান মালিকরাও দিন-রাত আতঙ্কে ব্যবসা করছেন। গাছগুলো অপসারণে স্থানীয়ভাবে বহু চেষ্টা ছাড়াও প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেও প্রতিকার মেলেনি।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক পলাশ, যমুনা টেলিভিশন ও বাংলা ট্রিবিউনের গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি। তিনি জানান, বিট্রিশ আমল থেকে সাদুল্লাপুর ভূমি অফিস সড়কের চারমাথা মোড়ের পাশে তাদের বাবা-দাদার পরিবারের মালিকানাধীন ৮ শতক জমিতে বাসাবাড়ি ও গুদাম-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেই বাড়ির সীমানা ঘেঁষে প্রতিবেশী জাকিউল হক মানিকের জমিতে থাকা অতি পুরনো বিশালাকৃতির ৫-৬টি মেহগনির গাছ বহু বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। গাছগুলোর শিকড় দুর্বল হয়ে গিয়ে অধিকাংশ ডালপালা তাদের সীমানায় হেলে পড়েছে এবং যে কোনো সময় ভেঙে প্রাণঘাতি ও সম্পদের ক্ষতি ঘটাতে পারে। বিশেষ করে সামান্য বাতাস ও বৃষ্টিতে গাছগুলো দুলতে থাকে তখন শিশুরা পর্যন্ত ঘরে থাকতে ভয় পায়।

সাংবাদিক পলাশ অভিযোগ করেন, প্রতিবেশি গাছের মালিক মানিক পূর্ব থেকেই প্রতিহিংসাপরায়ণ আচরণ করছেন। সেকারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তিনি গাছগুলো না কেটে আমার পরিবারের মৃত্যু ফাঁদ তৈরি করে রেখেছেন।

তিনি আরও জানান, ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো অপসারণের জন্য স্থানীয়ভাবে বহু চেষ্টা শেষে গত ১৯ মে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করি। দীর্ঘ একমাস পর গত ১৮ জুন, ইউএনও আমার জ্ঞাতার্থে দায়সারা প্রতিবেদন দেন। যেখানে তিনি বা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কেউ সরেজমিনে তদন্তে যাননি। তবে উপজেলা বন বিভাগ এবং বনগ্রাম ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সরেজমিন পরির্দশনে গাছের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা নিশ্চিত করলেও প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার আশঙ্কা কিংবা পরিবারের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কোন কিছুই উল্লেখ করেনি।

অভিযোগকারীর দাবি, ইউএনও’র প্রতিবেদনে শুধু বলা হয়েছে, উক্ত জমিতে সরকারি কোন স্বত্ব ও স্বার্থ নেই এবং ‘আদালতে বাটোয়ারা মামলা চলমান’ থাকায় তার কিছুই করার নেই। প্রদত্ত প্রতিবেদনে ইউএনও’র দায়সারা মন্তব্য প্রশাসনিক দায়িত্ব এগিয়ে চলার শামিল এবং আইনগতভাবে অসম্পূর্ণ। উক্ত জমির বিরোধে আদালতে দুটি মামলা থাকলেও বাস্তবতা হলো গাছ কাটার বিষয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা নেই।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক পলাশ বলেন, জমির সীমানা অনুযায়ী বিবাদী গাছের মালিক বটে। বিরোধপূর্ণ কোন জমিতে গাছ কাটা বা অপসারণের বিষয় মামলার পরিধিতে পড়েনা, বিশেষ করে যখন তা প্রাণহানির ঝুঁকি সৃষ্টি করে। সে কারণে গাছ ভেঙে দুর্ঘটনার দায় মালিকের। যেহেতু গাছগুলো বাস্তবতায় বিপদজনক, ইউএনও গাছগুলো অপসারণে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ব্যবস্থা নিতে পারতেন। অথচ আইনিগত ক্ষমতা থেকেও চরম অবহেলা ও দায়িত্ব এড়িয়ে গেছেন তিনি। ফলে প্রতিকারের আশায় আইনগত দিক উল্লেখ করে গত রবিবার (২২ জুন) আবারও ইউএনও বরাবরে লিখিত আবেদন করেছি।

তবে দায়সাড়া তদন্তের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম। তিনি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ‘ভুক্তভোগীর আবেদনের প্রেক্ষিতে সহকারী কমিশানার (ভূমি) প্রেরিত তদন্ত প্রতিবেদনে জানান যে, উক্ত জমিতে কর ব্যতীত অন্য কোন সরকারি স্বত্ব ও স্বার্থ নেই এবং বর্ণিত জমি নিয়ে আদালতে বাটোয়ারা মামলা চলমান থাকায় উল্লেখিত আবেদনের বিষয়ে কোন করণীয় নেই।’

এদিকে, ঝূ্ঁকিপূর্ণ গাছের বিষয়টি শুধু সাংবাদিক পলাশের ব্যক্তিগত নয়, এটি জননিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ঝুঁকিপূর্ণ গাছসমূহের কারণে ভাড়াটিয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক-কর্মচারী এবং সাধারণ জনগণের জন্য প্রাণঘাতী হুমকি হয়ে রয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী দোকান মালিক মিলন মন্ডল ও মিঠুন সরকার বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ সবচেয়ে বড় মেহগনির গাছ দীর্ঘদিন ধরে দোকান ঘরের টিনের চালার সঙ্গে হেলে রয়েছে। বৃষ্টি বা সামান্য ঝড় হলেই গাছগুলো দুলতে থাকে। আমরা সারাক্ষণ ভয়ে থাকি, কখন কী ঘটে। তারপরেও চরম চরম ঝুঁকি নিয়ে ব্যবসা করতে হচ্ছে।’

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ ঝূঁকিপূর্ণ এসব গাছের বিষয়টি জানা আছে এলাকাবাসীর। তাদের দাবি, প্রশাসনের ব্যর্থতা এবং প্রভাবশালী গাছ মালিকের প্রতিহিংসার কারণে পুরো এলাকা মৃত্যু ঝুঁকির মধ্যে আছে।

স্থানীয়দের অনেকেই গাছ মালিক মানিকের বিরুদ্ধে দখলদারিত্ব, প্রভাব খাটানো ও প্রতিহিংসার অভিযোগ করেছেন। তারা জানান, আশেপাশের আরও অনেকের সঙ্গে জমি বিরোধে জড়িয়েছেন তিনি। বর্তমানে আদালতে চলমান অন্তত ৮-১০টি মামলার বাদি-বিবাদী তিনি। স্থানীয়রা দ্রুতই ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলোর অপসারণ এবং স্থানীয় জনগনের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে অভিযুক্ত গাছ মালিক জাকিউল হক মানিক জমি নিয়ে মামলা থাকার অজুহাতে গাছ কাটতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, প্রতিহিংসা নয়, জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলায় গাছ কাটা সম্ভব হচ্ছেনা।