Dhaka ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বগুড়ায় বিয়ের গেটে বকশিশের টাকা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত-৩ নেপালে ধর্মীয় সহিংসতায় নিহত-৩, আহত-২৫, কারফিউ জারি খোলা বাজারে সরকারি বীজ বিক্রির দায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড গোবিন্দগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ রংপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা: প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার সাঁতরে পার হওয়ার সময় বাঙালি নদীতে এক বৃদ্ধ নিখোঁজ ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নিতে রাজি মিয়ানমার: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী রংপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেফতার সাঘাটায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বানে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ সাঘাটায় বিদেশে পাঠানোর নামে ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি

যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করার দাবি জোরালো, রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তাপ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩৮:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৪ Time View

ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করার দাবি সাম্প্রতিক সময়ে আবারও জোরালো হয়ে উঠেছে। দেশটির প্রধান প্রধান গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাট দলের একাধিক আইনপ্রণেতা ট্রাম্পের কিছু সাম্প্রতিক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষিতে তাকে অপসারণের দাবি তুলেছেন।

খবরে বলা হয়েছে, প্রায় অর্ধশতাধিক কংগ্রেস সদস্য ট্রাম্পকে সরাতে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী অথবা অভিশংসন (impeachment) প্রক্রিয়া প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, ট্রাম্পের কিছু অবস্থান ও মন্তব্য জাতীয় নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে উদ্বেগ তৈরি করছে।

এদিকে, কংগ্রেসের একজন সদস্য ইতোমধ্যে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নতুন করে অভিশংসন প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট, অ্যাক্সিওস, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের দাবি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাস্তবে তা কার্যকর করা অত্যন্ত কঠিন। কারণ, প্রেসিডেন্টকে অপসারণের জন্য কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই উল্লেখযোগ্য সমর্থন প্রয়োজন, যা বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সহজ নয়।

অন্যদিকে, ট্রাম্পবিরোধী বিভিন্ন নাগরিক আন্দোলনও সাম্প্রতিক সময়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে “ইমপিচ অ্যান্ড রিমুভ” স্লোগান তুলতে দেখা গেছে অংশগ্রহণকারীদের।

সব মিলিয়ে, ট্রাম্পকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তবে এই দাবিগুলো শেষ পর্যন্ত কতদূর এগোবে, তা নির্ভর করছে দেশটির জটিল সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বগুড়ায় বিয়ের গেটে বকশিশের টাকা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত-৩

যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করার দাবি জোরালো, রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তাপ

Update Time : ১০:৩৮:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করার দাবি সাম্প্রতিক সময়ে আবারও জোরালো হয়ে উঠেছে। দেশটির প্রধান প্রধান গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাট দলের একাধিক আইনপ্রণেতা ট্রাম্পের কিছু সাম্প্রতিক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষিতে তাকে অপসারণের দাবি তুলেছেন।

খবরে বলা হয়েছে, প্রায় অর্ধশতাধিক কংগ্রেস সদস্য ট্রাম্পকে সরাতে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী অথবা অভিশংসন (impeachment) প্রক্রিয়া প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, ট্রাম্পের কিছু অবস্থান ও মন্তব্য জাতীয় নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে উদ্বেগ তৈরি করছে।

এদিকে, কংগ্রেসের একজন সদস্য ইতোমধ্যে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নতুন করে অভিশংসন প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট, অ্যাক্সিওস, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের দাবি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাস্তবে তা কার্যকর করা অত্যন্ত কঠিন। কারণ, প্রেসিডেন্টকে অপসারণের জন্য কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই উল্লেখযোগ্য সমর্থন প্রয়োজন, যা বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সহজ নয়।

অন্যদিকে, ট্রাম্পবিরোধী বিভিন্ন নাগরিক আন্দোলনও সাম্প্রতিক সময়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে “ইমপিচ অ্যান্ড রিমুভ” স্লোগান তুলতে দেখা গেছে অংশগ্রহণকারীদের।

সব মিলিয়ে, ট্রাম্পকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তবে এই দাবিগুলো শেষ পর্যন্ত কতদূর এগোবে, তা নির্ভর করছে দেশটির জটিল সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর।