Dhaka ০৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় শিক্ষা দিবসে ছাত্র ইউনিয়নের মিছিল ও সমাবেশ নটর ডেম কলেজে সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীদের গ্রীন ফিল্ড কলেজের অধ্যক্ষের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ সাঘাটায় বসতবাড়িতে ৪ হাজার ৬০০ চারা বিতরণ পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে হামলার শিকার যুবক, হাসপাতালে ভর্তি সুন্দরগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৪ পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ও সভাপতির বক্তব্য যুক্তরাজ্য সফরে ইএসডিও’র প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান দৃষ্টিহীন শাকিলের স্বপ্নপূরণ, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে চাকরি ঠাকুরগাঁওয়ে এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন: আহ্বায়ক খলিলুর সদস্য সচিব বদিউজ্জামান স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সদর উপজেলার ঘাগোয়ায় ছাত্রীকে মেরে হাসপাতালে ভর্তি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে শিক্ষার্থী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫
  • ১৫৭ Time View

স্টাফ রিপোর্টঃ গাইবান্ধায় স্কুল ছাত্রী পিটিয়ে হাসপাতালে ভর্তি, অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে পালিয়ে যায় শিক্ষক, হাসপাতালের বেডে শুয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে শিক্ষার্থী। এমন একটি ন্যাকারজনক ঘটনা ঘটেছে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘাগোয়া মিয়াজান ব্যাপারি উচ্চ বিদ্যালয়ে।
জানা গেছে, প্রতিদিনের মতোই ফাতেমা বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় স্কুলে আসেন। ইংরেজি ক্লাসে ফাতেমার বান্ধবির সাথে মাথার উকুন দেখা নিয়ে কথার কাটাকাটি হলে সহকারী শিক্ষক সাদিয়া আফরিন পিংকিকে বিচার দেন। ঘটনার বিবরণ না শুনে ঐ শিক্ষক ফাতিমাকে বেধরক মারপিট করে। এতে ফাতেমা অসুস্থ হলে ঐ শিক্ষিকা বিদ্যালয় থেকে পালিয়ে যায়। পরে অফিস সহকারি ও এক সহকারী শিক্ষক শিক্ষার্থীকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুরে রের্পাট করেন।
রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে ওই সহকারী শিক্ষক ও অফিস সহকারি রোগী রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে মানবাধিকার কর্মী নাজমা বেগম ও এ্যাড.ফারুক কবিরের সহায়তা ডাক্তার রোগীকে রেফার্ট না করে চিকিৎসা দেয়।
এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক সরকার বলেন,”স্কুলে বেত্রাঘাত নিষিদ্ধ। মেয়েটি দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থতায় ভোগছিলেন। ওই দিন সাদিয়া ম্যাডামের ক্লাসে অসুস্থ হলে অভিভাবককে খবর দিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসা চলমান, বর্তমানে সে সুস্থ আছে। তবে ঘটনা সত্য হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাসপাতালে ওই শিক্ষার্থীর মায়ের সাথে কথা তিনি বলেন, সে চাপের মুখে কিছু বলতে অস্বীকৃত জ্ঞাপন করে, বলে এ বিষয়ে আমি কিছু বলবো না।
এ ব্যাপারে মানবাধিকার কর্মী নাজমা বেগম বলেন, শিক্ষিকা কতৃক ছাত্রীকে মেরে হাসপাতালে ভর্তির কথা শুনে আমি হাসপাতালে চলে আসি। দেখি রোগী (ছাত্রী) পাশে কোন অভিভাবক বা শিক্ষক কেউ নেই। আমি ডাক্তার সাথে পরামর্শ করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করি।
এ্যাড.ফারুক কবির বলেন, সরকারী নীতিমালা ও পরিপত্র-২০১১ সালের ২১ এপ্রিল শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি না দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে নীতিমালা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি রহিত করা সংক্রান্ত নীতিমালা-২০১১’ সংশোধিত ২০১৯ এ শিরোনামে জারিকৃত আদেশের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, কোন শিক্ষার্থীকে শারীরিক, মানসিক, দৈহিক আঘাত শাস্তি যোগ্য অপরাধ। সংবিধানের ২৭,৩১,৩২ ও ৩৫(৫) ধারা অনুযায়ী শাস্তি না দিলে সংবিধান লঙ্ঘিত হবে।
স্কুল শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জায়গা। সেখানে ছাত্রীকে মেরে হাসপাতালে ভর্তি ন্যাকারজনক ঘটনা। তদন্ত সাপেক্ষে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

 

 

 

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

kartick kartick

Popular Post

গাইবান্ধায় শিক্ষা দিবসে ছাত্র ইউনিয়নের মিছিল ও সমাবেশ

সদর উপজেলার ঘাগোয়ায় ছাত্রীকে মেরে হাসপাতালে ভর্তি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে শিক্ষার্থী

Update Time : ০৯:১০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টঃ গাইবান্ধায় স্কুল ছাত্রী পিটিয়ে হাসপাতালে ভর্তি, অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে পালিয়ে যায় শিক্ষক, হাসপাতালের বেডে শুয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে শিক্ষার্থী। এমন একটি ন্যাকারজনক ঘটনা ঘটেছে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘাগোয়া মিয়াজান ব্যাপারি উচ্চ বিদ্যালয়ে।
জানা গেছে, প্রতিদিনের মতোই ফাতেমা বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় স্কুলে আসেন। ইংরেজি ক্লাসে ফাতেমার বান্ধবির সাথে মাথার উকুন দেখা নিয়ে কথার কাটাকাটি হলে সহকারী শিক্ষক সাদিয়া আফরিন পিংকিকে বিচার দেন। ঘটনার বিবরণ না শুনে ঐ শিক্ষক ফাতিমাকে বেধরক মারপিট করে। এতে ফাতেমা অসুস্থ হলে ঐ শিক্ষিকা বিদ্যালয় থেকে পালিয়ে যায়। পরে অফিস সহকারি ও এক সহকারী শিক্ষক শিক্ষার্থীকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুরে রের্পাট করেন।
রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে ওই সহকারী শিক্ষক ও অফিস সহকারি রোগী রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে মানবাধিকার কর্মী নাজমা বেগম ও এ্যাড.ফারুক কবিরের সহায়তা ডাক্তার রোগীকে রেফার্ট না করে চিকিৎসা দেয়।
এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক সরকার বলেন,”স্কুলে বেত্রাঘাত নিষিদ্ধ। মেয়েটি দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থতায় ভোগছিলেন। ওই দিন সাদিয়া ম্যাডামের ক্লাসে অসুস্থ হলে অভিভাবককে খবর দিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসা চলমান, বর্তমানে সে সুস্থ আছে। তবে ঘটনা সত্য হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাসপাতালে ওই শিক্ষার্থীর মায়ের সাথে কথা তিনি বলেন, সে চাপের মুখে কিছু বলতে অস্বীকৃত জ্ঞাপন করে, বলে এ বিষয়ে আমি কিছু বলবো না।
এ ব্যাপারে মানবাধিকার কর্মী নাজমা বেগম বলেন, শিক্ষিকা কতৃক ছাত্রীকে মেরে হাসপাতালে ভর্তির কথা শুনে আমি হাসপাতালে চলে আসি। দেখি রোগী (ছাত্রী) পাশে কোন অভিভাবক বা শিক্ষক কেউ নেই। আমি ডাক্তার সাথে পরামর্শ করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করি।
এ্যাড.ফারুক কবির বলেন, সরকারী নীতিমালা ও পরিপত্র-২০১১ সালের ২১ এপ্রিল শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি না দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে নীতিমালা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি রহিত করা সংক্রান্ত নীতিমালা-২০১১’ সংশোধিত ২০১৯ এ শিরোনামে জারিকৃত আদেশের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, কোন শিক্ষার্থীকে শারীরিক, মানসিক, দৈহিক আঘাত শাস্তি যোগ্য অপরাধ। সংবিধানের ২৭,৩১,৩২ ও ৩৫(৫) ধারা অনুযায়ী শাস্তি না দিলে সংবিধান লঙ্ঘিত হবে।
স্কুল শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জায়গা। সেখানে ছাত্রীকে মেরে হাসপাতালে ভর্তি ন্যাকারজনক ঘটনা। তদন্ত সাপেক্ষে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।