Dhaka ১২:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে ১১ ও হাম উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু দিনাজপুরকে একটি সমৃদ্ধ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা জিডি নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন, অপপ্রচারের অভিযোগ খেলতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের শহীদ মিনার ভাঙচুর, অভিযুক্ত প্রশিক্ষক পলাতক তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা মৌসুমীকে রেখেই পূর্ণিমাকে বিয়ে, মাসুদকে গ্রামছাড়া করলো বিক্ষুব্ধ জনতা বদলগাছীতে শহীদ মিনার ভাঙা নিয়ে রহস্য যুক্তরাষ্ট্রে ফের চালু হচ্ছে ডিভি লটারি, বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত

রেলওয়েতে চাকরির নামে অর্থ আত্মসাৎ ও মিথ্যা মামলায় হয়রানি: ভুক্তভোগীর  সংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০৮ Time View

 প্রতিনিধি গাইবান্ধা:

বাংলাদেশ রেলওয়েতে ওয়েম্যান পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি এবং উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটানোর অভিযোগে এক রেল কর্মচারীর বিরুদ্ধে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী এক যুবক। ভুক্তভোগী শ্রী সুজন বাবু গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কিশামত সর্বানন্দ গ্রামের সুখিলাল বাবুর ছেলে।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুজন বাবু জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ের লালমনিরহাটে কর্মরত ওয়েম্যান মোঃ আসাদুল ইসলাম (পিতা: মৃত মাহাতাব ব্যাপারী) ২০১৮ সালের ১৫ মে ওয়েম্যান পদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর কাছ থেকে ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা নেন। টাকা নেওয়ার পর চাকরিতে নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে টালবাহানা শুরু করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে আসাদুল ইসলাম তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।

​এ ঘটনায় সুজন বাবু গাইবান্ধা আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। হুমকি অব্যাহত থাকায় পরবর্তীতে তিনি সুন্দরগঞ্জ আমলী আদালতে সিআর মামলা করেন। সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। পরে আদালতের আদেশ অবমাননা করায় পুলিশ আসাদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠায়।

​সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, আসাদুল ইসলাম গ্রেফতারের আগে আক্রোশ মেটাতে ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে সুজন বাবুর কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করান। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গাইবান্ধা সদর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে একটি সাজানো মামলা (নং ২৯৪/২৬) দায়ের করা হয়। ওই মামলায় সুজন বাবুকে গ্রেফতার করা হলে তাঁকে ২০ থেকে ২৪ দিন কারাভোগ করতে হয়। বর্তমানে জামিনে থাকা সুজন বাবু এই হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলাটি অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

​সুজন বাবু অভিযোগ করে বলেন, আসাদুল ইসলাম ও লালমনিরহাটের আরেক রেল কর্মচারী মোঃ হেলাল হোসেন একটি প্রতারক চক্র গড়ে তুলেছেন। চক্রটি রেলওয়েতে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে বহু নিরীহ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এই প্রতারক চক্রের সাথে রেলওয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে উল্লেখ করে তিনি সুষ্ঠু তদন্তের জোর দাবি জানান। একই সাথে আত্মসাৎকৃত টাকা ফেরত ও প্রতারকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

 

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে ১১ ও হাম উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু

রেলওয়েতে চাকরির নামে অর্থ আত্মসাৎ ও মিথ্যা মামলায় হয়রানি: ভুক্তভোগীর  সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ০১:৫৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

 প্রতিনিধি গাইবান্ধা:

বাংলাদেশ রেলওয়েতে ওয়েম্যান পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি এবং উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটানোর অভিযোগে এক রেল কর্মচারীর বিরুদ্ধে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী এক যুবক। ভুক্তভোগী শ্রী সুজন বাবু গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কিশামত সর্বানন্দ গ্রামের সুখিলাল বাবুর ছেলে।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুজন বাবু জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ের লালমনিরহাটে কর্মরত ওয়েম্যান মোঃ আসাদুল ইসলাম (পিতা: মৃত মাহাতাব ব্যাপারী) ২০১৮ সালের ১৫ মে ওয়েম্যান পদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর কাছ থেকে ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা নেন। টাকা নেওয়ার পর চাকরিতে নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে টালবাহানা শুরু করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে আসাদুল ইসলাম তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।

​এ ঘটনায় সুজন বাবু গাইবান্ধা আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। হুমকি অব্যাহত থাকায় পরবর্তীতে তিনি সুন্দরগঞ্জ আমলী আদালতে সিআর মামলা করেন। সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। পরে আদালতের আদেশ অবমাননা করায় পুলিশ আসাদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠায়।

​সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, আসাদুল ইসলাম গ্রেফতারের আগে আক্রোশ মেটাতে ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে সুজন বাবুর কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করান। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গাইবান্ধা সদর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে একটি সাজানো মামলা (নং ২৯৪/২৬) দায়ের করা হয়। ওই মামলায় সুজন বাবুকে গ্রেফতার করা হলে তাঁকে ২০ থেকে ২৪ দিন কারাভোগ করতে হয়। বর্তমানে জামিনে থাকা সুজন বাবু এই হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলাটি অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

​সুজন বাবু অভিযোগ করে বলেন, আসাদুল ইসলাম ও লালমনিরহাটের আরেক রেল কর্মচারী মোঃ হেলাল হোসেন একটি প্রতারক চক্র গড়ে তুলেছেন। চক্রটি রেলওয়েতে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে বহু নিরীহ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এই প্রতারক চক্রের সাথে রেলওয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে উল্লেখ করে তিনি সুষ্ঠু তদন্তের জোর দাবি জানান। একই সাথে আত্মসাৎকৃত টাকা ফেরত ও প্রতারকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।