Dhaka ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কৃষকের সন্তান থেকে চিকিৎসক হওয়ার পথে শাকিল শনিবার দেশে ফিরছে ৫ প্রবাসীর লাশ, শোকের মাঝেও ঋণের চাপ সাঘাটায় অবৈধ বালু মজুদে জরিমানা করায় এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ সাঘাটায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে সহস্রাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা গ্রহণ সুন্দরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১৬ বামনডাঙ্গা জনতা ব্যাংকে প্রকাশ্যে ঋণ বিতরণ গাইবান্ধায় টেলিভিশন রিপোর্টিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গোবিন্দগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  ভাড়া বাসায় জাল টাকার কারবার, ডিবির জালে জব্বার সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ

সাঘাটায় অবৈধ বালু মজুদে জরিমানা করায় এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ২১ Time View

সাঘাটা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও মজুদ করার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করায় সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণ সাথালিয়া ও মুন্সিরহাট এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কাজের দোহাই দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, মজুদ ও সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রির অভিযোগ ওঠে দক্ষিণ সাথালিয়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে।

এরই প্রেক্ষিতে গত ২৮ অক্টোবর বিকেলে উপজেলা প্রশাসন সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বালু উত্তোলন ও মজুদের বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাইলে আলমগীর হোসেন কোনো বৈধ প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন। নিজেকে পাউবোর সাব-ঠিকাদার দাবি করলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, তার নামে কোনো কাজের অনুমোদন নেই। এছাড়া স্থানীয়দের সাক্ষ্যেও অবৈধ বালু বিক্রির সত্যতা মেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

এই আইনগত পদক্ষেপের পর থেকেই দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর হোসেন ও একটি স্বার্থান্বেষী মহল ক্ষিপ্ত হয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে জড়িয়ে ফেসবুকে অশোভন মন্তব্য ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল জানান, সাঘাটার সহকারী কমিশনার (ভূমি) দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নামজারিসহ ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে স্বচ্ছতা এসেছে এবং সেবাগ্রহীতারা হয়রানি থেকে মুক্তি পেয়েছেন। সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কারণেই একটি চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কৃষকের সন্তান থেকে চিকিৎসক হওয়ার পথে শাকিল

সাঘাটায় অবৈধ বালু মজুদে জরিমানা করায় এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

Update Time : ০২:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

সাঘাটা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও মজুদ করার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করায় সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণ সাথালিয়া ও মুন্সিরহাট এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কাজের দোহাই দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, মজুদ ও সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রির অভিযোগ ওঠে দক্ষিণ সাথালিয়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে।

এরই প্রেক্ষিতে গত ২৮ অক্টোবর বিকেলে উপজেলা প্রশাসন সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বালু উত্তোলন ও মজুদের বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাইলে আলমগীর হোসেন কোনো বৈধ প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন। নিজেকে পাউবোর সাব-ঠিকাদার দাবি করলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, তার নামে কোনো কাজের অনুমোদন নেই। এছাড়া স্থানীয়দের সাক্ষ্যেও অবৈধ বালু বিক্রির সত্যতা মেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

এই আইনগত পদক্ষেপের পর থেকেই দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর হোসেন ও একটি স্বার্থান্বেষী মহল ক্ষিপ্ত হয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে জড়িয়ে ফেসবুকে অশোভন মন্তব্য ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল জানান, সাঘাটার সহকারী কমিশনার (ভূমি) দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নামজারিসহ ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে স্বচ্ছতা এসেছে এবং সেবাগ্রহীতারা হয়রানি থেকে মুক্তি পেয়েছেন। সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কারণেই একটি চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।