Dhaka ০৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কুপি-হারিকেনের আলোয় পীরগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী পুঁথি পাঠের আসর মহিমাগঞ্জে ‘মব সৃষ্টি করে’ অধ্যক্ষকে পদচ্যুতির প্রতিবাদ ও পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ গণ উন্নয়ন কেন্দ্রে ‘আর্ন-নিট’ প্রকল্পের কর্মীদের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত নওগাঁয় ৮ ঘণ্টায় ছিনতাইয়ের রহস্য উদ্‌ঘাটন, কৃষক দলের নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ গাজীপুরে পোশাকশ্রমিক আন্দোলন: গোবিন্দগঞ্জে নিহত তৌফিকের দাফন সম্পন্ন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মিরপুরে ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন সুন্দরগঞ্জে বিপুল পরিমাণ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, জরিমানা সুন্দরগঞ্জে জমি দখলে নিতে বিধবার কাঁচা ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিকের হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক: আর্থিক লেনদেন না করার অনুরোধ নওগাঁ কারা হেফাজতে বগুড়ার আওয়ামী লীগ নেতার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

আমি ধর্ষণ করেছি, হত্যা করেছে ডলার’ আদালতে সোহেল রানার বিস্ফোরক বক্তব্য

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • ৯০ Time View

স্টাফ রিপোর্টারঃ

৭ বছরের রামিসা হত্যা মামলায় শুরু হচ্ছে বিচার প্রক্রিয়ার নতুন ধাপ।** রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত এই ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আজ চার্জগঠন শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ মামলাটি শুরু থেকেই দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সোমবার (১ জুন) সকাল পৌনে ৮টায় কারাগার থেকে দুই আসামিকে আদালতে আনা হয়। পরে সকাল ১১টার পর তাদের ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে তোলা হয়।

আদালতে নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধান আসামি সোহেল রানা। তিনি দাবি করেন, ধর্ষণের ঘটনা তিনি ঘটিয়েছেন, তবে হত্যার জন্য দায়ী ‘ডলার’ নামের এক ব্যক্তি। সোহেলের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি তাকে দুই লাখ টাকা দিয়েছেন। তবে ‘ডলার’ সম্পর্কে বিস্তারিত পরিচয় দিতে পারেননি তিনি। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তার ডিএনএ পরীক্ষা না করেই কিছু বিষয় প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।

এর আগে, গত ২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। তদন্তে সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অপরাধে সহায়তার অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার পর মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয় এবং আজ চার্জগঠন শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়। এর মাধ্যমে মামলার প্রাথমিক তদন্ত, ডিএনএ পরীক্ষা, অভিযোগপত্র দাখিল ও আদালতে আমলে নেওয়ার ধাপগুলো সম্পন্ন হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু জানিয়েছেন, মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তিনি তার দায়িত্ব পালন করবেন। তবে বিচার প্রক্রিয়ার গতি ও সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনালের ওপর নির্ভর করবে।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মে সকালে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার নিখোঁজ হওয়ার পর প্রতিবেশীরা একটি ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে বাথরুমের একটি বালতি থেকে তার কাটা মাথা পাওয়া যায়। ঘটনার পর পালিয়ে গেলেও পরে নারায়ণগঞ্জ থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বর্তমানে মামলার দুই আসামিই কারাগারে রয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কুপি-হারিকেনের আলোয় পীরগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী পুঁথি পাঠের আসর

আমি ধর্ষণ করেছি, হত্যা করেছে ডলার’ আদালতে সোহেল রানার বিস্ফোরক বক্তব্য

Update Time : ০৩:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ

৭ বছরের রামিসা হত্যা মামলায় শুরু হচ্ছে বিচার প্রক্রিয়ার নতুন ধাপ।** রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত এই ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আজ চার্জগঠন শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ মামলাটি শুরু থেকেই দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সোমবার (১ জুন) সকাল পৌনে ৮টায় কারাগার থেকে দুই আসামিকে আদালতে আনা হয়। পরে সকাল ১১টার পর তাদের ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে তোলা হয়।

আদালতে নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধান আসামি সোহেল রানা। তিনি দাবি করেন, ধর্ষণের ঘটনা তিনি ঘটিয়েছেন, তবে হত্যার জন্য দায়ী ‘ডলার’ নামের এক ব্যক্তি। সোহেলের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি তাকে দুই লাখ টাকা দিয়েছেন। তবে ‘ডলার’ সম্পর্কে বিস্তারিত পরিচয় দিতে পারেননি তিনি। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তার ডিএনএ পরীক্ষা না করেই কিছু বিষয় প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।

এর আগে, গত ২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। তদন্তে সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অপরাধে সহায়তার অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার পর মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয় এবং আজ চার্জগঠন শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়। এর মাধ্যমে মামলার প্রাথমিক তদন্ত, ডিএনএ পরীক্ষা, অভিযোগপত্র দাখিল ও আদালতে আমলে নেওয়ার ধাপগুলো সম্পন্ন হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু জানিয়েছেন, মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তিনি তার দায়িত্ব পালন করবেন। তবে বিচার প্রক্রিয়ার গতি ও সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনালের ওপর নির্ভর করবে।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মে সকালে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার নিখোঁজ হওয়ার পর প্রতিবেশীরা একটি ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে বাথরুমের একটি বালতি থেকে তার কাটা মাথা পাওয়া যায়। ঘটনার পর পালিয়ে গেলেও পরে নারায়ণগঞ্জ থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বর্তমানে মামলার দুই আসামিই কারাগারে রয়েছেন।