Dhaka ০২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দৃষ্টিহীন শাকিলের স্বপ্নপূরণ, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে চাকরি ঠাকুরগাঁওয়ে এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন: আহ্বায়ক খলিলুর সদস্য সচিব বদিউজ্জামান স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথের নির্মান কাজ অনুমোদন: ব্যয় ১০ হাজার ৫৭০ কোটি টাকা নটর ডেম ও সেন্ট যোসেফে পলাশবাড়ী গ্রীন ফিল্ড স্কুলের ৭ শিক্ষার্থীর ভর্তির সুযোগ ঢাকা-রংপুর লংমার্চ ও পলাশবাড়ী পথসভা উপলক্ষে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রেস ব্রিফিং ৭ ধাপে ইউপি নির্বাচন শুরু ১২ নভেম্বর: প্রথম ধাপে ভোট ৮০ উপজেলার ইউনিয়নে গণমাধ্যমের অন্দরমহলে নিঃশব্দ মৃত্যুমিছিল:কাল হয়তো আমরা কেউ… ব্যবসায়ীর মুখোশে ভয়ংকর প্রতারণা: হাতিয়েছে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার দেড় লক্ষ টাকা স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু নভেম্বরের মাঝামাঝিতে

গাইবান্ধায় স্ত্রীকে হত্যা করে থানায় স্বামীর আত্মসমর্পণ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:২০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুলাই ২০২৩
  • ১৪২১ Time View

প্রতিনিধি গাইবান্ধা:
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে স্ত্রীকে হত্যা করে পর থানায় গিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করে ঘাতক স্বামী পুলিশের নিকট আত্মসমর্পণ করেছে। অভিযুক্ত স্বামী মহসীন আলী জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের কলেজপাড়া গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে।
হত্যার শিকার ২৬বছর বয়সী গৃহবধু শেফালী বেগম গাইবান্ধা সদরের মোল্লাপাড়ার মৃত কাদের মোল্লার মেয়ে।
শনিবার রাত ৮টার দিকে নলডাঙ্গা ইউনিয়নের কলেজপাড়া এলাকার বাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় নিহতের হাতে থাকা একটি চিরকুট উদ্ধার করে তারা। গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে শেফালী খাতুনকে হত্যা করে স্বামী মহসীন আলী। পরে সে এ ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসাবে প্রমাণে ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়ে শয়নকক্ষের তীরে শেফালী বেগমের মরদেহ ঝুলিয়ে রাখে।
স্থানীয়রা জানায়, ৪ বছর আগে মহসীন আলীর সাথে শেফালী খাতুনের বিয়ে হয়। মহসীন আলী কোনো কাজ-কর্ম করত না। পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারণে বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই স্ত্রীর সাথে প্রায়ই ঝগড়া লাগতো। পাশাপাশি শেফালীর কোনো সন্তান না হওয়ায় মহসীন ক্ষুব্ধ ছিল। শনিবার সন্ধ্যায় ঝগড়ার একপর্যায়ে মহসীন আলী স্ত্রীর ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে শেফালীকে হত্যা করে। পরে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করতে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে হত্যার দায় স্বীকার করে নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে।
গাইবান্ধা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান জানান, প্রাথমিক এটি একটি খুনের ঘটনা। ঘাতক স্বামী অর্থনৈতিক অস্বচ্ছলতার কারণে হতাশাগ্রস্ত। সে স্ত্রীকে চারিত্রিকভাবে সন্দেহ করত। এছাড়াও স্ত্রী ‘কুফরি কালাম’ করত, যা তার পছন্দ ছিল না। এসব কারণে সে স্ত্রীকে হত্যা করে। তবে পুরো ব্যাপারটিকে আরও ব্যাপকভাবে তদন্ত করা হবে।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাহাবুর রহমান বলেন,মরদেহ উদ্ধারের পরপর থানায় এসে স্বামী মহসিন আলী হত্যার দায় স্বীকার করে আত্মসমর্পন করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

দৃষ্টিহীন শাকিলের স্বপ্নপূরণ, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে চাকরি

গাইবান্ধায় স্ত্রীকে হত্যা করে থানায় স্বামীর আত্মসমর্পণ

Update Time : ১২:২০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুলাই ২০২৩

প্রতিনিধি গাইবান্ধা:
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে স্ত্রীকে হত্যা করে পর থানায় গিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করে ঘাতক স্বামী পুলিশের নিকট আত্মসমর্পণ করেছে। অভিযুক্ত স্বামী মহসীন আলী জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের কলেজপাড়া গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে।
হত্যার শিকার ২৬বছর বয়সী গৃহবধু শেফালী বেগম গাইবান্ধা সদরের মোল্লাপাড়ার মৃত কাদের মোল্লার মেয়ে।
শনিবার রাত ৮টার দিকে নলডাঙ্গা ইউনিয়নের কলেজপাড়া এলাকার বাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় নিহতের হাতে থাকা একটি চিরকুট উদ্ধার করে তারা। গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে শেফালী খাতুনকে হত্যা করে স্বামী মহসীন আলী। পরে সে এ ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসাবে প্রমাণে ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়ে শয়নকক্ষের তীরে শেফালী বেগমের মরদেহ ঝুলিয়ে রাখে।
স্থানীয়রা জানায়, ৪ বছর আগে মহসীন আলীর সাথে শেফালী খাতুনের বিয়ে হয়। মহসীন আলী কোনো কাজ-কর্ম করত না। পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারণে বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই স্ত্রীর সাথে প্রায়ই ঝগড়া লাগতো। পাশাপাশি শেফালীর কোনো সন্তান না হওয়ায় মহসীন ক্ষুব্ধ ছিল। শনিবার সন্ধ্যায় ঝগড়ার একপর্যায়ে মহসীন আলী স্ত্রীর ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে শেফালীকে হত্যা করে। পরে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করতে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে হত্যার দায় স্বীকার করে নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে।
গাইবান্ধা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান জানান, প্রাথমিক এটি একটি খুনের ঘটনা। ঘাতক স্বামী অর্থনৈতিক অস্বচ্ছলতার কারণে হতাশাগ্রস্ত। সে স্ত্রীকে চারিত্রিকভাবে সন্দেহ করত। এছাড়াও স্ত্রী ‘কুফরি কালাম’ করত, যা তার পছন্দ ছিল না। এসব কারণে সে স্ত্রীকে হত্যা করে। তবে পুরো ব্যাপারটিকে আরও ব্যাপকভাবে তদন্ত করা হবে।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাহাবুর রহমান বলেন,মরদেহ উদ্ধারের পরপর থানায় এসে স্বামী মহসিন আলী হত্যার দায় স্বীকার করে আত্মসমর্পন করেছে।