Dhaka ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ঘোড়াঘাটে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার সাঘাটায় ‘চর’ পাইলট প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত বীরমুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও ‎দাফনে বাধা দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন সুন্দরগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষ: নিহত ২, আহত ১ ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রাসাদের কাছে বিমান বিব্ধস্ত, পাইলটসহ সকল আরোহীর মৃত্যু সাঘাটায় জমি বিরোধে বিধবার ৪০টি গাছ নিধন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে আটক ১ জেলার ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ, ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ গাজীপুরে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যানবাহন ভাঙচুর, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন বাংলাদেশের চার সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

ইমদাদুল হক মিলনকে পেয়ে উচ্ছ্বাসে মাতলো একঝাঁক শিশু-কিশোর

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৪০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ১৩০ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক: দর্শক সারি থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জয়িতা বর্মন, কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলনকে প্রশ্ন করলেন, কেন তিনি নূরজাহান উপন্যাসটি লিখেছিলেন? এই প্রশ্নের সূত্র ধরে হলভর্তি দর্শক-শ্রোতারা শুনলেন নূরজাহান লেখার গল্প। শিশুদের জন্য কেন পঞ্চাশেরও বেশি বই লিখেছেন, কীভাবে লিখেছেন, সেই গল্পও শোনালেন তিনি। শোনালেন গাধা আর শেয়ালের গল্প, সিংহের গল্প। স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা পিন পতন নীরবতার মধ্য দিয়ে মন পেতে শুনলেন ইমদাদুল হক মিলনের বলা গল্প। এরপর একঝাঁক শিশু উঠলো মঞ্চে, কণ্ঠে তুলল নজরুলের ‘মোরা ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম, মোরা ঝর্ণার মত চঞ্চল’ । দর্শকসারিতে বসে ইমদাদুল হক মিলন শুনলেন শিশুদের গান, আবৃত্তি, দেখলেন নৃত্য। মুগ্ধ হয়ে কাছে টেনে নিয়ে তাদের উৎসাহিত করলেন তিনি। এরপর দেড়শতাধিক শিক্ষার্থী অটোগ্রাফের জন্য গভীর উচ্ছ্বাসে ঘিরে ধরল লেখককে। চোখের পলকে একটি সাধারণ আয়োজন হয়ে উঠল অনন্য এক অসাধারণ আনন্দমুখর রঙিন উৎসব।

ইমদাদুল হক মিলনের আগমনে আজ (মঙ্গলবার) এমন আনন্দধারায় মুখর হয়ে উঠেছিল গাইবান্ধার গণ উন্নয়ন কেন্দ্র রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ জহুরুল কাইয়ুম। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এম. আবদুস সালাম। এর আগে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করা হয় অনুষ্ঠানের মধ্যমণি ইমদাদুল হক মিলনকে।

ইমদাদুল হক মিলন বলেন, ‘ভাষা আন্দোলন থেকে জুলাই গণঅভ্যূত্থান, প্রতিটি আন্দোলনে শিক্ষার্থীরাই নেতৃত্ব দিয়েছে এবং তোমরাই সেই শিক্ষার্থী যারা  সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে যেকোনো সংকটে দেশের মানুষের জন্য জ্বলে উঠবে। এ জন্য ভালোভাবে পড়ালেখার পাশাপাশি ভালো মানুষ হিসেবে তোমাদেরকে গড়ে উঠতে হবে। ’

এম. আবদুস সালাম বলেন, ‘একুশে বইমেলায় ইমদাদুল হক মিলনের বই কিনে অটোগ্রাফ নিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু ভিড়ের কারণে নিতে পারিনি। আমার এবং শিক্ষর্থীদের জন্য আজ বিশাল পাওয়া যে, তাঁর মতো একজন বড়মাপের সাহিত্যিককে আমরা সরাসরি এখানে পেয়েছি।’

জহুরুল কাইয়ুম বলেন, ‘এমন একজন গুণী মানুষকে আমাদের প্রতিষ্ঠানে পেয়েছি, যাঁর আগমন আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করবে, শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখাবে ‘

উল্লেখ্য বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণ ও বিভিন্ন কর্মসূচি উপলক্ষে গাইবান্ধা সফরকালে গণ উন্নয়ন কেন্দ্র রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এ্যান্ড কলেজের এই আয়োজনে অংশ নেন ইমদাদুল হক মিলন। অনুষ্ঠান শুরুর আগে তিনি প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ঘোড়াঘাটে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

ইমদাদুল হক মিলনকে পেয়ে উচ্ছ্বাসে মাতলো একঝাঁক শিশু-কিশোর

Update Time : ০৫:৪০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দর্শক সারি থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জয়িতা বর্মন, কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলনকে প্রশ্ন করলেন, কেন তিনি নূরজাহান উপন্যাসটি লিখেছিলেন? এই প্রশ্নের সূত্র ধরে হলভর্তি দর্শক-শ্রোতারা শুনলেন নূরজাহান লেখার গল্প। শিশুদের জন্য কেন পঞ্চাশেরও বেশি বই লিখেছেন, কীভাবে লিখেছেন, সেই গল্পও শোনালেন তিনি। শোনালেন গাধা আর শেয়ালের গল্প, সিংহের গল্প। স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা পিন পতন নীরবতার মধ্য দিয়ে মন পেতে শুনলেন ইমদাদুল হক মিলনের বলা গল্প। এরপর একঝাঁক শিশু উঠলো মঞ্চে, কণ্ঠে তুলল নজরুলের ‘মোরা ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম, মোরা ঝর্ণার মত চঞ্চল’ । দর্শকসারিতে বসে ইমদাদুল হক মিলন শুনলেন শিশুদের গান, আবৃত্তি, দেখলেন নৃত্য। মুগ্ধ হয়ে কাছে টেনে নিয়ে তাদের উৎসাহিত করলেন তিনি। এরপর দেড়শতাধিক শিক্ষার্থী অটোগ্রাফের জন্য গভীর উচ্ছ্বাসে ঘিরে ধরল লেখককে। চোখের পলকে একটি সাধারণ আয়োজন হয়ে উঠল অনন্য এক অসাধারণ আনন্দমুখর রঙিন উৎসব।

ইমদাদুল হক মিলনের আগমনে আজ (মঙ্গলবার) এমন আনন্দধারায় মুখর হয়ে উঠেছিল গাইবান্ধার গণ উন্নয়ন কেন্দ্র রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ জহুরুল কাইয়ুম। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এম. আবদুস সালাম। এর আগে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করা হয় অনুষ্ঠানের মধ্যমণি ইমদাদুল হক মিলনকে।

ইমদাদুল হক মিলন বলেন, ‘ভাষা আন্দোলন থেকে জুলাই গণঅভ্যূত্থান, প্রতিটি আন্দোলনে শিক্ষার্থীরাই নেতৃত্ব দিয়েছে এবং তোমরাই সেই শিক্ষার্থী যারা  সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে যেকোনো সংকটে দেশের মানুষের জন্য জ্বলে উঠবে। এ জন্য ভালোভাবে পড়ালেখার পাশাপাশি ভালো মানুষ হিসেবে তোমাদেরকে গড়ে উঠতে হবে। ’

এম. আবদুস সালাম বলেন, ‘একুশে বইমেলায় ইমদাদুল হক মিলনের বই কিনে অটোগ্রাফ নিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু ভিড়ের কারণে নিতে পারিনি। আমার এবং শিক্ষর্থীদের জন্য আজ বিশাল পাওয়া যে, তাঁর মতো একজন বড়মাপের সাহিত্যিককে আমরা সরাসরি এখানে পেয়েছি।’

জহুরুল কাইয়ুম বলেন, ‘এমন একজন গুণী মানুষকে আমাদের প্রতিষ্ঠানে পেয়েছি, যাঁর আগমন আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করবে, শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখাবে ‘

উল্লেখ্য বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণ ও বিভিন্ন কর্মসূচি উপলক্ষে গাইবান্ধা সফরকালে গণ উন্নয়ন কেন্দ্র রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এ্যান্ড কলেজের এই আয়োজনে অংশ নেন ইমদাদুল হক মিলন। অনুষ্ঠান শুরুর আগে তিনি প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।