Dhaka ০৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সাঘাটায় বিদেশে পাঠানোর নামে ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি লাওসে এশিয়া ন্যাশনাল ওয়াটার কনসালটেটিভ মিটিংয়ে এমপি মিলন নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার সবসময় থাকবে: এমপি মমতাজ আলো আড়াই বছর ধরে আটকে গাইবান্ধার ৯ সেতুর কাজ, ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কায় দুর্ভোগে মানুষ ধ্বংস আর মৃত্যুর মাঝেও ফুটবলকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াইয়ে ফিলিস্তিনিরা গাইবান্ধায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীল কর্মশালা অনুষ্ঠিত নিরাপদ নওগাঁ গঠনে শিক্ষার্থীদের সাথে র‍্যাবের মতবিনিময় সভা অভিভাবকের উদাসীনতাই তরুণ প্রজন্মের অবক্ষয়ের জন্য দায়ী? এবার সয়াবিন তেলে মিলল বিপুল পরিমাণ মাইক্রোপ্লাস্টিক জাপানে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি

ইমদাদুল হক মিলনকে পেয়ে উচ্ছ্বাসে মাতলো একঝাঁক শিশু-কিশোর

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৪০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ২২ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক: দর্শক সারি থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জয়িতা বর্মন, কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলনকে প্রশ্ন করলেন, কেন তিনি নূরজাহান উপন্যাসটি লিখেছিলেন? এই প্রশ্নের সূত্র ধরে হলভর্তি দর্শক-শ্রোতারা শুনলেন নূরজাহান লেখার গল্প। শিশুদের জন্য কেন পঞ্চাশেরও বেশি বই লিখেছেন, কীভাবে লিখেছেন, সেই গল্পও শোনালেন তিনি। শোনালেন গাধা আর শেয়ালের গল্প, সিংহের গল্প। স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা পিন পতন নীরবতার মধ্য দিয়ে মন পেতে শুনলেন ইমদাদুল হক মিলনের বলা গল্প। এরপর একঝাঁক শিশু উঠলো মঞ্চে, কণ্ঠে তুলল নজরুলের ‘মোরা ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম, মোরা ঝর্ণার মত চঞ্চল’ । দর্শকসারিতে বসে ইমদাদুল হক মিলন শুনলেন শিশুদের গান, আবৃত্তি, দেখলেন নৃত্য। মুগ্ধ হয়ে কাছে টেনে নিয়ে তাদের উৎসাহিত করলেন তিনি। এরপর দেড়শতাধিক শিক্ষার্থী অটোগ্রাফের জন্য গভীর উচ্ছ্বাসে ঘিরে ধরল লেখককে। চোখের পলকে একটি সাধারণ আয়োজন হয়ে উঠল অনন্য এক অসাধারণ আনন্দমুখর রঙিন উৎসব।

ইমদাদুল হক মিলনের আগমনে আজ (মঙ্গলবার) এমন আনন্দধারায় মুখর হয়ে উঠেছিল গাইবান্ধার গণ উন্নয়ন কেন্দ্র রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ জহুরুল কাইয়ুম। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এম. আবদুস সালাম। এর আগে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করা হয় অনুষ্ঠানের মধ্যমণি ইমদাদুল হক মিলনকে।

ইমদাদুল হক মিলন বলেন, ‘ভাষা আন্দোলন থেকে জুলাই গণঅভ্যূত্থান, প্রতিটি আন্দোলনে শিক্ষার্থীরাই নেতৃত্ব দিয়েছে এবং তোমরাই সেই শিক্ষার্থী যারা  সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে যেকোনো সংকটে দেশের মানুষের জন্য জ্বলে উঠবে। এ জন্য ভালোভাবে পড়ালেখার পাশাপাশি ভালো মানুষ হিসেবে তোমাদেরকে গড়ে উঠতে হবে। ’

এম. আবদুস সালাম বলেন, ‘একুশে বইমেলায় ইমদাদুল হক মিলনের বই কিনে অটোগ্রাফ নিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু ভিড়ের কারণে নিতে পারিনি। আমার এবং শিক্ষর্থীদের জন্য আজ বিশাল পাওয়া যে, তাঁর মতো একজন বড়মাপের সাহিত্যিককে আমরা সরাসরি এখানে পেয়েছি।’

জহুরুল কাইয়ুম বলেন, ‘এমন একজন গুণী মানুষকে আমাদের প্রতিষ্ঠানে পেয়েছি, যাঁর আগমন আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করবে, শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখাবে ‘

উল্লেখ্য বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণ ও বিভিন্ন কর্মসূচি উপলক্ষে গাইবান্ধা সফরকালে গণ উন্নয়ন কেন্দ্র রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এ্যান্ড কলেজের এই আয়োজনে অংশ নেন ইমদাদুল হক মিলন। অনুষ্ঠান শুরুর আগে তিনি প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সাঘাটায় বিদেশে পাঠানোর নামে ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি

ইমদাদুল হক মিলনকে পেয়ে উচ্ছ্বাসে মাতলো একঝাঁক শিশু-কিশোর

Update Time : ০৫:৪০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দর্শক সারি থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জয়িতা বর্মন, কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলনকে প্রশ্ন করলেন, কেন তিনি নূরজাহান উপন্যাসটি লিখেছিলেন? এই প্রশ্নের সূত্র ধরে হলভর্তি দর্শক-শ্রোতারা শুনলেন নূরজাহান লেখার গল্প। শিশুদের জন্য কেন পঞ্চাশেরও বেশি বই লিখেছেন, কীভাবে লিখেছেন, সেই গল্পও শোনালেন তিনি। শোনালেন গাধা আর শেয়ালের গল্প, সিংহের গল্প। স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা পিন পতন নীরবতার মধ্য দিয়ে মন পেতে শুনলেন ইমদাদুল হক মিলনের বলা গল্প। এরপর একঝাঁক শিশু উঠলো মঞ্চে, কণ্ঠে তুলল নজরুলের ‘মোরা ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম, মোরা ঝর্ণার মত চঞ্চল’ । দর্শকসারিতে বসে ইমদাদুল হক মিলন শুনলেন শিশুদের গান, আবৃত্তি, দেখলেন নৃত্য। মুগ্ধ হয়ে কাছে টেনে নিয়ে তাদের উৎসাহিত করলেন তিনি। এরপর দেড়শতাধিক শিক্ষার্থী অটোগ্রাফের জন্য গভীর উচ্ছ্বাসে ঘিরে ধরল লেখককে। চোখের পলকে একটি সাধারণ আয়োজন হয়ে উঠল অনন্য এক অসাধারণ আনন্দমুখর রঙিন উৎসব।

ইমদাদুল হক মিলনের আগমনে আজ (মঙ্গলবার) এমন আনন্দধারায় মুখর হয়ে উঠেছিল গাইবান্ধার গণ উন্নয়ন কেন্দ্র রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ জহুরুল কাইয়ুম। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এম. আবদুস সালাম। এর আগে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করা হয় অনুষ্ঠানের মধ্যমণি ইমদাদুল হক মিলনকে।

ইমদাদুল হক মিলন বলেন, ‘ভাষা আন্দোলন থেকে জুলাই গণঅভ্যূত্থান, প্রতিটি আন্দোলনে শিক্ষার্থীরাই নেতৃত্ব দিয়েছে এবং তোমরাই সেই শিক্ষার্থী যারা  সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে যেকোনো সংকটে দেশের মানুষের জন্য জ্বলে উঠবে। এ জন্য ভালোভাবে পড়ালেখার পাশাপাশি ভালো মানুষ হিসেবে তোমাদেরকে গড়ে উঠতে হবে। ’

এম. আবদুস সালাম বলেন, ‘একুশে বইমেলায় ইমদাদুল হক মিলনের বই কিনে অটোগ্রাফ নিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু ভিড়ের কারণে নিতে পারিনি। আমার এবং শিক্ষর্থীদের জন্য আজ বিশাল পাওয়া যে, তাঁর মতো একজন বড়মাপের সাহিত্যিককে আমরা সরাসরি এখানে পেয়েছি।’

জহুরুল কাইয়ুম বলেন, ‘এমন একজন গুণী মানুষকে আমাদের প্রতিষ্ঠানে পেয়েছি, যাঁর আগমন আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করবে, শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখাবে ‘

উল্লেখ্য বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণ ও বিভিন্ন কর্মসূচি উপলক্ষে গাইবান্ধা সফরকালে গণ উন্নয়ন কেন্দ্র রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এ্যান্ড কলেজের এই আয়োজনে অংশ নেন ইমদাদুল হক মিলন। অনুষ্ঠান শুরুর আগে তিনি প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।