Dhaka ০৯:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গণমাধ্যমের অন্দরমহলে নিঃশব্দ মৃত্যুমিছিল:কাল হয়তো আমরা কেউ… ব্যবসায়ীর মুখোশে ভয়ংকর প্রতারণা: হাতিয়েছে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার দেড় লক্ষ টাকা স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু নভেম্বরের মাঝামাঝিতে খাটের নিচে লুকোচুরি: মামী-ভাগ্নের কাণ্ডে পলাশবাড়িতে তুলকালাম মেসির উদাহরণ টেনে ইয়ামালকে সতর্ক করলেন সাবেক বার্সা তারকা তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফর ঘিরে প্রবাসীদের ব্যাপক প্রস্তুতি রুশ ড্রোনের নিশানায় সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক সিআইএ প্রধান ? ৫ কোটি টাকার পানি শোধনাগার দুই বছরেও চালু হয়নি , ১৫ দিনের মধ্যে চালুর আল্টিমেটাম সার্ভার হ্যাক করে এনআইডি-সিডিআরসহ গোপন তথ্য সরবরাহ; যুবক গ্রেপ্তার জাভা সাগরে উল্টে গেল যাত্রীবাহী জাহাজ, ৬ জনের মৃত্যু—নিখোঁজ ১৩০

এক মুহূর্তেই মৃত্যুফাঁদ! নেপালে ভয়াবহ বন্যার নেপথ্যে কী?

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৫৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৪ Time View

ডেস্ক রিপোর্টঃ এক মুহূর্তের ধাক্কায় তছনছ হয়ে গেছে নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকা। আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রয়টার্স ও কাঠমান্ডু পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের পর লেন্দে নদীর উজানে বড় একটি হিমবাহ বা বরফের স্তূপ ধসে পড়ার কারণে এই বিপর্যয়ের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। বরফ ও মাটির বিশাল অংশ নদীর প্রবাহ আটকে সাময়িকভাবে প্রাকৃতিক বাঁধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করে। পরে জমে থাকা বিপুল পানি ও বরফ হঠাৎ ভেঙে নিচের দিকে নেমে এলে সৃষ্টি হয় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা।

প্রবল স্রোতে নেপাল ও তিব্বতের সংযোগকারী সড়ক ও সেতুসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে বসতবাড়িও। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বহু বিদেশি পর্যটক ও শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে শতাধিক ভারতীয় নাগরিক ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া ও মালয়েশিয়ার নাগরিক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিপদ এখনো পুরোপুরি কাটেনি বলে আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা। লেন্দে নদীর উজানে মাটি ও বরফের বড় অংশ আটকে থাকায় সেখানে নতুন করে পানি জমতে পারে। সেই পানি হঠাৎ নেমে এলে ফের আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে নেপালের নদীগুলোর পানি ভারতের দিকে প্রবাহিত হওয়ায় বিহার ও উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন এলাকাও বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনের প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। দুর্গত এলাকায় নেপালের সেনাবাহিনী ও পুলিশ উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে কাদা, পাথর ও ধ্বংসস্তূপে অনেক এলাকা দুর্গম হয়ে পড়ায় নিখোঁজদের সন্ধান ও উদ্ধারকাজে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন উদ্ধারকারীরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গণমাধ্যমের অন্দরমহলে নিঃশব্দ মৃত্যুমিছিল:কাল হয়তো আমরা কেউ…

এক মুহূর্তেই মৃত্যুফাঁদ! নেপালে ভয়াবহ বন্যার নেপথ্যে কী?

Update Time : ০৯:৫৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্টঃ এক মুহূর্তের ধাক্কায় তছনছ হয়ে গেছে নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকা। আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রয়টার্স ও কাঠমান্ডু পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের পর লেন্দে নদীর উজানে বড় একটি হিমবাহ বা বরফের স্তূপ ধসে পড়ার কারণে এই বিপর্যয়ের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। বরফ ও মাটির বিশাল অংশ নদীর প্রবাহ আটকে সাময়িকভাবে প্রাকৃতিক বাঁধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করে। পরে জমে থাকা বিপুল পানি ও বরফ হঠাৎ ভেঙে নিচের দিকে নেমে এলে সৃষ্টি হয় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা।

প্রবল স্রোতে নেপাল ও তিব্বতের সংযোগকারী সড়ক ও সেতুসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে বসতবাড়িও। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বহু বিদেশি পর্যটক ও শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে শতাধিক ভারতীয় নাগরিক ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া ও মালয়েশিয়ার নাগরিক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিপদ এখনো পুরোপুরি কাটেনি বলে আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা। লেন্দে নদীর উজানে মাটি ও বরফের বড় অংশ আটকে থাকায় সেখানে নতুন করে পানি জমতে পারে। সেই পানি হঠাৎ নেমে এলে ফের আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে নেপালের নদীগুলোর পানি ভারতের দিকে প্রবাহিত হওয়ায় বিহার ও উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন এলাকাও বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনের প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। দুর্গত এলাকায় নেপালের সেনাবাহিনী ও পুলিশ উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে কাদা, পাথর ও ধ্বংসস্তূপে অনেক এলাকা দুর্গম হয়ে পড়ায় নিখোঁজদের সন্ধান ও উদ্ধারকাজে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন উদ্ধারকারীরা।