Dhaka ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চালকের অসতর্কতায় ফেরিডুবি, প্রাণ গেল ৪৪ জনের

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৪ Time View

ডেস্ক রিপোর্টঃ  খারাপ আবহাওয়ার কারণে জিম্বাবুয়ের কারিবা হ্রদে ফেরি ডুবে অন্তত ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে। তাদের উদ্ধারে চলছে অভিযান।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) কারিবা শহর থেকে যাত্রা শুরুর পর প্রচণ্ড ঢেউয়ের মধ্যে ফেরিটি উল্টে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খারাপ আবহাওয়ার কারণে তখন হ্রদের পানি ছিল খুবই উত্তাল। একপর্যায়ে ফেরিতে পানি ঢুকতে শুরু করলে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ফেরিটিতে সর্বোচ্চ ৯০ জন যাত্রী বহনের সক্ষমতা ছিল। কিন্তু দুর্ঘটনার সময় সেখানে অন্তত ১১৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রী ও পাঁচজন ক্রু ছিলেন। পাশাপাশি টিকিটের প্রয়োজন হয় না—এমন বয়সী কিছু শিশুও ফেরিতে ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে মোট যাত্রীর সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারীরা ৭৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করেন। পরে হ্রদ থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধারের পর মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪-এ দাঁড়ায়। উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বেঁচে যাওয়া কয়েকজন যাত্রী অভিযোগ করেছেন, ঢেউ ভয়ংকর হয়ে উঠলে তারা ফেরির চালককে নৌযান ঘুরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। তবে সেই অনুরোধ আমলে নেওয়া হয়নি। পরে ইঞ্জিন কক্ষে পানি ঢুকে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

এ ঘটনায় দেশটির প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়া রাষ্ট্রীয় দুর্যোগ ঘোষণা করেছেন। উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনীর নৌ ইউনিট, পুলিশের ডুবুরি দল ও হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা অংশ নিচ্ছেন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

চালকের অসতর্কতায় ফেরিডুবি, প্রাণ গেল ৪৪ জনের

Update Time : ১১:৩১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্টঃ  খারাপ আবহাওয়ার কারণে জিম্বাবুয়ের কারিবা হ্রদে ফেরি ডুবে অন্তত ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে। তাদের উদ্ধারে চলছে অভিযান।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) কারিবা শহর থেকে যাত্রা শুরুর পর প্রচণ্ড ঢেউয়ের মধ্যে ফেরিটি উল্টে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খারাপ আবহাওয়ার কারণে তখন হ্রদের পানি ছিল খুবই উত্তাল। একপর্যায়ে ফেরিতে পানি ঢুকতে শুরু করলে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ফেরিটিতে সর্বোচ্চ ৯০ জন যাত্রী বহনের সক্ষমতা ছিল। কিন্তু দুর্ঘটনার সময় সেখানে অন্তত ১১৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রী ও পাঁচজন ক্রু ছিলেন। পাশাপাশি টিকিটের প্রয়োজন হয় না—এমন বয়সী কিছু শিশুও ফেরিতে ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে মোট যাত্রীর সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারীরা ৭৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করেন। পরে হ্রদ থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধারের পর মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪-এ দাঁড়ায়। উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বেঁচে যাওয়া কয়েকজন যাত্রী অভিযোগ করেছেন, ঢেউ ভয়ংকর হয়ে উঠলে তারা ফেরির চালককে নৌযান ঘুরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। তবে সেই অনুরোধ আমলে নেওয়া হয়নি। পরে ইঞ্জিন কক্ষে পানি ঢুকে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

এ ঘটনায় দেশটির প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়া রাষ্ট্রীয় দুর্যোগ ঘোষণা করেছেন। উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনীর নৌ ইউনিট, পুলিশের ডুবুরি দল ও হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা অংশ নিচ্ছেন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান