Dhaka ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কৃষকের সন্তান থেকে চিকিৎসক হওয়ার পথে শাকিল শনিবার দেশে ফিরছে ৫ প্রবাসীর লাশ, শোকের মাঝেও ঋণের চাপ সাঘাটায় অবৈধ বালু মজুদে জরিমানা করায় এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ সাঘাটায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে সহস্রাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা গ্রহণ সুন্দরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১৬ বামনডাঙ্গা জনতা ব্যাংকে প্রকাশ্যে ঋণ বিতরণ গাইবান্ধায় টেলিভিশন রিপোর্টিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গোবিন্দগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  ভাড়া বাসায় জাল টাকার কারবার, ডিবির জালে জব্বার সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ

নদীভাঙন ও বন্যাপ্রবণ অঞ্চলে জলবায়ু অর্থায়নের নতুন সম্ভাবনা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:১৮:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭৩ Time View

স্টাফ রিপোর্টার: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের নদীভাঙন ও বন্যাপ্রবণ অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের চরাঞ্চলে প্রতিবছর নদীভাঙন ও বন্যায় বহু পরিবার বসতভিটা, কৃষিজমি ও জীবিকা হারাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) নতুন জলবায়ু অর্থায়ন উদ্যোগ এসব অঞ্চলের জন্য সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে।

গত ৭ অক্টোবর ঢাকায় সরকার ও ইউএনডিপির মধ্যে ‘ইনক্লুসিভ বাজেটিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিং ফর ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স’ (IBFCR II) প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের দলিলে স্বাক্ষর করা হয়। ফ্রান্সের উন্নয়ন সংস্থা AFD-এর অর্থায়নে প্রকল্পটি ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে।

এই উদ্যোগের আওতায় জলবায়ু ঝুঁকির ভিত্তিতে সরকারি অর্থ বরাদ্দ, ব্যয় পর্যবেক্ষণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু অর্থায়নের প্রবাহ ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর বাস্তব চাহিদা বিশ্লেষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নদীভাঙন ও বন্যাপ্রবণ অঞ্চলে দুর্যোগসহনশীল অবকাঠামো, টেকসই কৃষি, বিকল্প জীবিকা এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের পুনর্বাসনে প্রয়োজনভিত্তিক অর্থায়ন জরুরি। বিশেষ করে নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।

তবে নতুন প্রকল্পে উত্তরাঞ্চলের জন্য পৃথক কোনো অর্থ বরাদ্দ ঘোষণা করা হয়নি। জলবায়ু অর্থায়নের সুফল প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছাতে স্থানীয় সরকার, উন্নয়ন সংস্থা ও জনগোষ্ঠীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কৃষকের সন্তান থেকে চিকিৎসক হওয়ার পথে শাকিল

নদীভাঙন ও বন্যাপ্রবণ অঞ্চলে জলবায়ু অর্থায়নের নতুন সম্ভাবনা

Update Time : ১১:১৮:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের নদীভাঙন ও বন্যাপ্রবণ অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের চরাঞ্চলে প্রতিবছর নদীভাঙন ও বন্যায় বহু পরিবার বসতভিটা, কৃষিজমি ও জীবিকা হারাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) নতুন জলবায়ু অর্থায়ন উদ্যোগ এসব অঞ্চলের জন্য সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে।

গত ৭ অক্টোবর ঢাকায় সরকার ও ইউএনডিপির মধ্যে ‘ইনক্লুসিভ বাজেটিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিং ফর ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স’ (IBFCR II) প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের দলিলে স্বাক্ষর করা হয়। ফ্রান্সের উন্নয়ন সংস্থা AFD-এর অর্থায়নে প্রকল্পটি ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে।

এই উদ্যোগের আওতায় জলবায়ু ঝুঁকির ভিত্তিতে সরকারি অর্থ বরাদ্দ, ব্যয় পর্যবেক্ষণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু অর্থায়নের প্রবাহ ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর বাস্তব চাহিদা বিশ্লেষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নদীভাঙন ও বন্যাপ্রবণ অঞ্চলে দুর্যোগসহনশীল অবকাঠামো, টেকসই কৃষি, বিকল্প জীবিকা এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের পুনর্বাসনে প্রয়োজনভিত্তিক অর্থায়ন জরুরি। বিশেষ করে নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।

তবে নতুন প্রকল্পে উত্তরাঞ্চলের জন্য পৃথক কোনো অর্থ বরাদ্দ ঘোষণা করা হয়নি। জলবায়ু অর্থায়নের সুফল প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছাতে স্থানীয় সরকার, উন্নয়ন সংস্থা ও জনগোষ্ঠীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।