Dhaka ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রংপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা: প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার সাঁতরে পার হওয়ার সময় বাঙালি নদীতে এক বৃদ্ধ নিখোঁজ ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নিতে রাজি মিয়ানমার: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী রংপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেফতার সাঘাটায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বানে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ সাঘাটায় বিদেশে পাঠানোর নামে ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি লাওসে এশিয়া ন্যাশনাল ওয়াটার কনসালটেটিভ মিটিংয়ে এমপি মিলন নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার সবসময় থাকবে: এমপি মমতাজ আলো আড়াই বছর ধরে আটকে গাইবান্ধার ৯ সেতুর কাজ, ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কায় দুর্ভোগে মানুষ ধ্বংস আর মৃত্যুর মাঝেও ফুটবলকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াইয়ে ফিলিস্তিনিরা

ফুলছড়িতে আল খায়ের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কুরবানির মাংস পেল ৬শ’ পরিবার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
  • ১৩০ Time View

ঈদুল আজহা উপলক্ষে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ, অসহায়, এতিম ও প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে কুরবানির মাংস বিতরণ করেছে সামাজিক ও মানবিক সংগঠন আল খায়ের ফাউন্ডেশন। মানবিক এ উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন চর ও নদীভাঙনকবলিত এলাকার ৬০০ পরিবারের মাঝে দুই কেজি করে কুরবানির মাংস বিতরণ করা হয়।

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে উপজেলার ফুলছড়ি সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ফুলছড়ি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও ফুলছড়ি সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম আকন্দ, উপাধ্যক্ষ আব্দুল মোমেন খন্দকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম রাজা, সমাজসেবক রওশন হাবিব রোজ, সহকারী অধ্যাপক কারী আমিনুল ইসলাম, গজারিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আজহারুল ইসলাম বাবু প্রমূখ।

ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ফুলছড়ি উপজেলা প্রতি বছরই নদীভাঙনের কারণে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। অনেক পরিবার বসতভিটা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। সমাজের বিত্তবাণ ব্যক্তি ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যদি এভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে অনেক পরিবার ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ পাবে। তিনি বলেন, কুরবানির প্রকৃত শিক্ষা হলো ত্যাগ, সহমর্মিতা ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। তিনি আল খায়ের ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগকে প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন।

আয়োজকরা জানান, শুধু ঈদ নয়, বছরজুড়েই সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য নানা ধরনের মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে আল খায়ের ফাউন্ডেশন। বিশেষ করে নদীভাঙনকবলিত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সহায়তায় সংগঠনটি নিয়মিত কাজ করছে।

মাংস নিতে আসা কয়েকজন উপকারভোগী জানান, অর্থনৈতিক সংকট ও নদীভাঙনের কারণে তাদের পক্ষে কুরবানি দেওয়া সম্ভব হয় না। এই সময়ে তাঁদের পরিবারের জন্য দুই কেজি মাংস অনেক বড় সহায়তা। এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার দাবি জানান তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রংপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা: প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার

ফুলছড়িতে আল খায়ের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কুরবানির মাংস পেল ৬শ’ পরিবার

Update Time : ১২:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

ঈদুল আজহা উপলক্ষে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ, অসহায়, এতিম ও প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে কুরবানির মাংস বিতরণ করেছে সামাজিক ও মানবিক সংগঠন আল খায়ের ফাউন্ডেশন। মানবিক এ উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন চর ও নদীভাঙনকবলিত এলাকার ৬০০ পরিবারের মাঝে দুই কেজি করে কুরবানির মাংস বিতরণ করা হয়।

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে উপজেলার ফুলছড়ি সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ফুলছড়ি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও ফুলছড়ি সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম আকন্দ, উপাধ্যক্ষ আব্দুল মোমেন খন্দকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম রাজা, সমাজসেবক রওশন হাবিব রোজ, সহকারী অধ্যাপক কারী আমিনুল ইসলাম, গজারিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আজহারুল ইসলাম বাবু প্রমূখ।

ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ফুলছড়ি উপজেলা প্রতি বছরই নদীভাঙনের কারণে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। অনেক পরিবার বসতভিটা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। সমাজের বিত্তবাণ ব্যক্তি ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যদি এভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে অনেক পরিবার ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ পাবে। তিনি বলেন, কুরবানির প্রকৃত শিক্ষা হলো ত্যাগ, সহমর্মিতা ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। তিনি আল খায়ের ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগকে প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন।

আয়োজকরা জানান, শুধু ঈদ নয়, বছরজুড়েই সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য নানা ধরনের মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে আল খায়ের ফাউন্ডেশন। বিশেষ করে নদীভাঙনকবলিত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সহায়তায় সংগঠনটি নিয়মিত কাজ করছে।

মাংস নিতে আসা কয়েকজন উপকারভোগী জানান, অর্থনৈতিক সংকট ও নদীভাঙনের কারণে তাদের পক্ষে কুরবানি দেওয়া সম্ভব হয় না। এই সময়ে তাঁদের পরিবারের জন্য দুই কেজি মাংস অনেক বড় সহায়তা। এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার দাবি জানান তারা।