Dhaka ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ইমদাদুল হক মিলনকে পেয়ে উচ্ছ্বাসে মাতলো একঝাঁক শিশু-কিশোর নলকূপ আছে, পানি নেই দ্বন্দ্বে বিপর্যস্ত নওগাঁর হাজারো কৃষক ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা বাঁধের ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধানের দাবি সাঘাটা উপজেলা বিএনপি’র সাথে এমপি মমতাজের মতবিনিময় সভা পাকিস্তানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: শতাধিক প্রাণহানি, ভারী বৃষ্টির সতর্কতা নিষিদ্ধ নেইমার: গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাকে ছাড়াই মাঠে নামছে সান্তোস পশ্চিম তীরে সহিংসতা বৃদ্ধি: ধর্মীয় স্থাপনায় হামলায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ, শান্তির আহ্বান গাইবান্ধায় সাবেক সেনা সদস্যের সংবাদ সম্মেলন: জমি বিক্রি ও স্ত্রীর অপপ্রচারের প্রতিবাদ আজ কিংবদন্তি লোকসংগীত শিল্পী আবদুল আলীমের জন্মদিন ইরাকে থাকা মার্কিন ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি ইরানের

কুরবানির পশুর হাটে দালালের হাতে ঠকছেন ক্রেতাগণ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
  • ১১৪ Time View

সুুন্দরগঞ্জ সংবাদদাতাঃকুরবানির পশুর হাটে ক্রেতার চেয়ে বিক্রের সংখ্য অনেক বেশি। আসন্ন কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে ব্যক্তি গরুর মালিক থেকে শুরু করে খামারীরা ইতোমধ্যে দালালের মাধ্যমে পশু বিক্রি শুরু করেছেন। দালালরা পশু মালিকের নিকট থেকে দরদাম ঠিকা করে নিয়ে গিয়ে হাটে বিক্রি করে টাকা দিচ্ছেন। ঠকছেন ক্রেতাগণ, পুঁজি ছাড়াই লাভবান হচ্ছেন দালালরা। বিভিন্ন পশুর হাট বাজার ঘুরে ফিরে দেখা গেছে মালিকদের হাতে কোন পশু নেই। সবপশু দালালদের হাতে। গত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে কুরবানির পশুর দাম অনেক কম। মালিকদের মাধ্যমে পশু বেচিকিনি হলে পশুর দাম আরও কম হত দাবি ক্রেতাদের।
গত সোমবার বেলকা হাটে কুরবানির পশু কিনতে আসা মো. আব্দুল হাই আকন্দ বলেন, অবশেষে দালালদের মাধ্যমে গরু কিনতে হল। সে কারনে তাকে দেড় হতে দুই হাজার টাকা বেশি দিতে হল। গরুর মালিকের হাতে গরু থাকলে ক্রেতাগণ আরও কমে গরু কিনতে পারত। তার ভাষ্য, যখনেই কোন গরুর নিকট গিয়ে আপনি দাম করবেন , ঠিক তখনেই তাদেরেই একজন দালাল এসে আপনার দামের চেয়ে ৫০০ হতে এক হাজার টাকা বাড়িয়ে দিয়ে দাম করছেন। এভাবে চলতে পশুর হাটে বেচিকিনি।
বেলকার খামারি বেনু সরকার বলেন, প্রতিটি বাড়িতে মিনি খামার রয়েছে। সকল স্তরের মানুষ এখন গরু পালন করে থাকেন। সে কারনে কুরবানির পশুর সংখ্য অনেক বেশি। বিশেষ করে চরাঞ্চলের প্রতিটি বাড়িতে মিনি গরুর খামার রয়েছে। এখনকার সময়ে মালিকরা হাটে নিয়ে আর পশু বিক্রির সুযোগ নেই। সে কারনে বাড়িতে বিক্রি করে দিতে হচ্ছে। এতে করে বিনিা পুঁজিতে দালালরা লাভবান হচ্ছেন।
গরুর দালাল আনজু মিয়া বলেন, দাম বেশি পাওয়ার আশায় বেশির ভাগ খামারী ও ব্যক্তি পশুর মালিকরা কুরবানি সময় পশু বিক্রি করে থাকেন। খামারে এবং বাড়িতে গিয়ে পশু কিনে জেলার বাইরে অথবা স্থানীয় হাট বাজারে বিক্রি করেন তারা। এতে যা লাভ হয় তা দিয়ে চলে তাদের সংসার। অনেক সময় লোকসান হয়।
ইজারাদার মো. সোহেল রানা বলেন, মালিক ও দালাল চেনা বড় দায়। অনেক দালাল মালিক সেজে গরু বিক্রি করে থাকেন। তবে ক্রেতাগণ সরাসরি মালিকের নিকট পশু কিনতে পারলে ৫০০ হতে এক হাজার টাকা বাঁচত। এখানে আসলে ইজাদারের কিছু করার নেই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

kartick kartick

Popular Post

ইমদাদুল হক মিলনকে পেয়ে উচ্ছ্বাসে মাতলো একঝাঁক শিশু-কিশোর

কুরবানির পশুর হাটে দালালের হাতে ঠকছেন ক্রেতাগণ

Update Time : ০৯:৪৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

সুুন্দরগঞ্জ সংবাদদাতাঃকুরবানির পশুর হাটে ক্রেতার চেয়ে বিক্রের সংখ্য অনেক বেশি। আসন্ন কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে ব্যক্তি গরুর মালিক থেকে শুরু করে খামারীরা ইতোমধ্যে দালালের মাধ্যমে পশু বিক্রি শুরু করেছেন। দালালরা পশু মালিকের নিকট থেকে দরদাম ঠিকা করে নিয়ে গিয়ে হাটে বিক্রি করে টাকা দিচ্ছেন। ঠকছেন ক্রেতাগণ, পুঁজি ছাড়াই লাভবান হচ্ছেন দালালরা। বিভিন্ন পশুর হাট বাজার ঘুরে ফিরে দেখা গেছে মালিকদের হাতে কোন পশু নেই। সবপশু দালালদের হাতে। গত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে কুরবানির পশুর দাম অনেক কম। মালিকদের মাধ্যমে পশু বেচিকিনি হলে পশুর দাম আরও কম হত দাবি ক্রেতাদের।
গত সোমবার বেলকা হাটে কুরবানির পশু কিনতে আসা মো. আব্দুল হাই আকন্দ বলেন, অবশেষে দালালদের মাধ্যমে গরু কিনতে হল। সে কারনে তাকে দেড় হতে দুই হাজার টাকা বেশি দিতে হল। গরুর মালিকের হাতে গরু থাকলে ক্রেতাগণ আরও কমে গরু কিনতে পারত। তার ভাষ্য, যখনেই কোন গরুর নিকট গিয়ে আপনি দাম করবেন , ঠিক তখনেই তাদেরেই একজন দালাল এসে আপনার দামের চেয়ে ৫০০ হতে এক হাজার টাকা বাড়িয়ে দিয়ে দাম করছেন। এভাবে চলতে পশুর হাটে বেচিকিনি।
বেলকার খামারি বেনু সরকার বলেন, প্রতিটি বাড়িতে মিনি খামার রয়েছে। সকল স্তরের মানুষ এখন গরু পালন করে থাকেন। সে কারনে কুরবানির পশুর সংখ্য অনেক বেশি। বিশেষ করে চরাঞ্চলের প্রতিটি বাড়িতে মিনি গরুর খামার রয়েছে। এখনকার সময়ে মালিকরা হাটে নিয়ে আর পশু বিক্রির সুযোগ নেই। সে কারনে বাড়িতে বিক্রি করে দিতে হচ্ছে। এতে করে বিনিা পুঁজিতে দালালরা লাভবান হচ্ছেন।
গরুর দালাল আনজু মিয়া বলেন, দাম বেশি পাওয়ার আশায় বেশির ভাগ খামারী ও ব্যক্তি পশুর মালিকরা কুরবানি সময় পশু বিক্রি করে থাকেন। খামারে এবং বাড়িতে গিয়ে পশু কিনে জেলার বাইরে অথবা স্থানীয় হাট বাজারে বিক্রি করেন তারা। এতে যা লাভ হয় তা দিয়ে চলে তাদের সংসার। অনেক সময় লোকসান হয়।
ইজারাদার মো. সোহেল রানা বলেন, মালিক ও দালাল চেনা বড় দায়। অনেক দালাল মালিক সেজে গরু বিক্রি করে থাকেন। তবে ক্রেতাগণ সরাসরি মালিকের নিকট পশু কিনতে পারলে ৫০০ হতে এক হাজার টাকা বাঁচত। এখানে আসলে ইজাদারের কিছু করার নেই।