
প্রতিনিধি গাইবান্ধা :
গাইবান্ধা বধ্যভূমি সংরক্ষণ আন্দোলনের প্রধান সংগঠক, বিশিষ্ট রাজনীতিক ও গাইবান্ধা পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র জি এম চৌধুরী মিঠুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ১নং রেলগেট এলাকাস্থ সিপিবি কার্যালয়ে ‘স্মরণসভা আয়োজক কমিটি’র উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।
ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ওয়াজিউর রহমান রাফেলের সভাপতিত্বে এবং সংস্কৃতিকর্মী শিরিন আকতারের সঞ্চালনায় সভায় প্রয়াত মিঠু চৌধুরীর জীবন ও কর্মের ওপর আলোকপাত করে বক্তব্য দেন সংস্কৃতিজন প্রমতোষ সাহা, লেখক-গবেষক অধ্যাপক জহুরুল কাইয়ুম, কবি ও আবৃত্তি শিল্পী দেবাশীষ দাশ দেবু, গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সভাপতি অমিতাভ দাশ হিমুন, সংগীত শিল্পী চুনি ইসলাম এবং রাজনীতিক জয়নাল আবেদীন রাজু।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাবু, মিহির ঘোষ, গোলাম রব্বানী, মনজুর আলম মিঠু, মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, কৃষিবিদ সাদেকুল ইসলাম গোলাপ, কৃষিবিদ মোস্তফা নুরুল ইসলাম রেজা, নাট্যজন আলমগীর কবির বাদল, কবি-সাংবাদিক রজতকান্তি বর্মন, আদিবাসী-বাঙালি নেতা গোলাম রব্বানী মুসা, উন্নয়ন কর্মী প্রবীর চক্রবর্ত্তী, সাংবাদিক রিকতু প্রসাদ, কায়সার রহমান রোমেল ও আরিফুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, গাইবান্ধার বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণে জি এম চৌধুরী মিঠুর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর অসমাপ্ত স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। একই সাথে বক্তারা বধ্যভূমি সংরক্ষণ আন্দোলনকে আরও গতিশীল করতে দ্রুত ‘গাইবান্ধা বধ্যভূমি সংরক্ষণ কমিটি’ পুনর্গঠনের দাবি জানান।
এর আগে, সংগীত শিল্পী সোমা সেনের কণ্ঠে ‘জীবন মরণের সীমানা ছাড়িয়ে…’ রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে সভার সূচনা করা হয়। শুরুতে প্রয়াত নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
উল্লেখ্য, বধ্যভূমি সংরক্ষণ আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব জি এম চৌধুরী মিঠু গত ২০২৫ সালের ২৩ মে মৃত্যুবরণ করেন।

Reporter Name 







