
প্রতিনিধি গাইবান্ধা:
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী (জিয়া)। ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে তিনি ওই আসনে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। আজ রবিবার দুপুরে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. জিয়া অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন পরিকল্পিতভাবে ‘ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং’ ও জালিয়াতির মাধ্যমে তাকে পরাজিত করা হয়েছে। তাঁর দাবি, উপজেলার অন্তত ৫০-৬০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে ফলাফল শিটে অগ্রিম স্বাক্ষর নিয়ে নেন। এমনকি অনেক কেন্দ্রে এজেন্টদের স্বাক্ষর ছাড়াই ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সুনির্দিষ্ট কিছু অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে বিএনপি প্রার্থী বলেন, বামনডাঙ্গা এম এম মনোমোহনী উচ্চ বিদ্যালয়সহ (কেন্দ্র নং-৪০) বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট শুরুর আগেই এজেন্টদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বের করে দেওয়ারও অভিযোগ তোলেন তিনি।
ফলাফলের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন, ডিজিটাল বা ম্যানুয়াল কারচুপির মাধ্যমে ধানের শীষের নিশ্চিত বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
ডা. জিয়া বলেন, “আমি মনে করি এটি একটি সুপরিকল্পিত ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই করলেই আমার অভিযোগের সত্যতা মিলবে। এর মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত রায় ছিনতাই করা হয়েছে।”
সংবাদ সম্মেলন থেকে অধ্যাপক ডা. জিয়া ঘোষিত ফলাফল বাতিল করে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ এবং পুনরায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।
এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

Reporter Name 
























