Dhaka ০১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
একটু উদ্যোগ ও চেষ্টা মানুষের জীবনে সফলতা এনে দিতে পারে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মেঘনায় ট্রলার ডুবি: দুই দিন পর ৩ ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার, সন্ধান মেলেনি বাবার উদ্যোগ ও প্রচেষ্টাই মানুষের জীবনে স্বনির্ভরতা আনতে পারে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী গো-খাদ্য সংকট, বিপাকে গবাদি পশু খামারি ও মালিকরা জাতিসংঘে নেই মোদী-পুতিন-শি: তিন প্রভাবশালী নেতার অনুপস্থিতি নিয়ে আলোচনা ১৬তম বিজেএস-এ দেশসেরা গাইবান্ধার আরিফ উল করিম সিয়াম করতোয়া নৌ ট্র্যাজেডির ৪ বছর: আজও কাঁদছে নদী পাড়ের মানুষ ব্রহ্মপুত্রের তীর রক্ষা বাঁধে আবারও ধস, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ পঞ্চগড়ে করতোয়ায় নৌ ট্র্যাজেডির চার বছর: স্বজনহারাদের কান্না আজও থামেনি গোবিন্দগঞ্জে ভারতে পাচারের আগে দুটি কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার, আটক ৩

গো-খাদ্য সংকট, বিপাকে গবাদি পশু খামারি ও মালিকরা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫৯:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০ Time View

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় দেখা দিয়েছে তীব্র গো-খাদ্য সংকট। টানা অতি বৃষ্টিতে উপজেলার নিচু চারণ ভূমিগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কোথাও কোন ঘাস নেই। এছাড়া বর্তমানে মাঠে রোপা আমন ধান থাকায় প্রাকৃতিক ঘাসের সংকট তীব্র আকার
ধারণ করেছে। ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন উপজেলার প্রান্তিক খামারী ও গবাদি পশু মালিকেরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গবাদী পশুর প্রধান খাদ্য খড়ের জন্য এখন পুরোপুরি নির্ভর করতে হচ্ছে জেলার বাইরের উপর। দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা খড় আমদানি করছেন ট্রাক যোগে। পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রতি মণ খড় বিক্রি হচ্ছে ৭শ থেকে সাড়ে ৭শ টাকায়। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুন।

খড়ের পাশাপাশি বাজারে গবাদী পশুর রেডিমেট ফিডের দামও আকাশ ছোঁয়া। ফলে খামারিরা গো-খাদ্যের যোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। অনেকেই বাধ্য হয়ে কম দামে গরু বিক্রি করে দিচ্ছেন। উপজেলার কঞ্চিবাড়ী, চন্ডিপুর, শান্তিরাম, শ্রীপুর, কাপাসিয়া, সর্বানন্দ. সোনারায়, বেলকা, তারাপুর ও হরিপুর এলাকার কয়েক জন খামারি জানান, একটি গরুর পিছনে দৈনিক খাদ্য খরচ হচ্ছে ২শ থেকে আড়াই শ টাকা, কিন্তু সেই অনুযায়ী দুধের দাম পাওয়া
যাচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে খামার বন্ধ করে দিতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা কে.এম ইফতে খারুল ইসলাম বলেন, অতি বৃষ্টির কারণে চারণ ভূমিগুলো নষ্ট হওয়ায় সাময়িক এই সংকট তৈরি হয়েছে। বিষয়টি আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। সরকারিভাবে গবাদী পশু বাঁচাতে খামারিদের মাঝে স্বল্প মূল্যে ভূষি বিতরণ এবং ঘাস চাষে উদ্বুদ্ধ করণের পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি উন্নত জাতের নেপিয়ার ঘাস চাষে খামারিদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

একটু উদ্যোগ ও চেষ্টা মানুষের জীবনে সফলতা এনে দিতে পারে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

গো-খাদ্য সংকট, বিপাকে গবাদি পশু খামারি ও মালিকরা

Update Time : ১১:৫৯:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় দেখা দিয়েছে তীব্র গো-খাদ্য সংকট। টানা অতি বৃষ্টিতে উপজেলার নিচু চারণ ভূমিগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কোথাও কোন ঘাস নেই। এছাড়া বর্তমানে মাঠে রোপা আমন ধান থাকায় প্রাকৃতিক ঘাসের সংকট তীব্র আকার
ধারণ করেছে। ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন উপজেলার প্রান্তিক খামারী ও গবাদি পশু মালিকেরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গবাদী পশুর প্রধান খাদ্য খড়ের জন্য এখন পুরোপুরি নির্ভর করতে হচ্ছে জেলার বাইরের উপর। দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা খড় আমদানি করছেন ট্রাক যোগে। পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রতি মণ খড় বিক্রি হচ্ছে ৭শ থেকে সাড়ে ৭শ টাকায়। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুন।

খড়ের পাশাপাশি বাজারে গবাদী পশুর রেডিমেট ফিডের দামও আকাশ ছোঁয়া। ফলে খামারিরা গো-খাদ্যের যোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। অনেকেই বাধ্য হয়ে কম দামে গরু বিক্রি করে দিচ্ছেন। উপজেলার কঞ্চিবাড়ী, চন্ডিপুর, শান্তিরাম, শ্রীপুর, কাপাসিয়া, সর্বানন্দ. সোনারায়, বেলকা, তারাপুর ও হরিপুর এলাকার কয়েক জন খামারি জানান, একটি গরুর পিছনে দৈনিক খাদ্য খরচ হচ্ছে ২শ থেকে আড়াই শ টাকা, কিন্তু সেই অনুযায়ী দুধের দাম পাওয়া
যাচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে খামার বন্ধ করে দিতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা কে.এম ইফতে খারুল ইসলাম বলেন, অতি বৃষ্টির কারণে চারণ ভূমিগুলো নষ্ট হওয়ায় সাময়িক এই সংকট তৈরি হয়েছে। বিষয়টি আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। সরকারিভাবে গবাদী পশু বাঁচাতে খামারিদের মাঝে স্বল্প মূল্যে ভূষি বিতরণ এবং ঘাস চাষে উদ্বুদ্ধ করণের পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি উন্নত জাতের নেপিয়ার ঘাস চাষে খামারিদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।