
সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার মঞ্জু মিয়া (৪৫) নামের এক কৃষকের বোরো ধানক্ষেতে ঘাস মারা ওষুধ ছিটিয়ে আধাপাকা ধান পুড়ে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিপক্ষ ইয়াকুব আলী (৬০) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ। এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন ভুক্তভোগী মঞ্জু মিয়ার স্ত্রী রেহেনা বেগম (৩৭)।
বুধবার (১৩ মে) দুপুরের দিকে উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের কিশামত বাগচী এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে- বোরো ধানক্ষেত পুড়ে যাওয়ার দৃশ্য। এ সময় জমির পাশে আহাজারি করছিলেন ক্ষতিগ্রস্ত মঞ্জু মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কিশামত বাগচী গ্রামের ফজলার রহমানের ছেলে মঞ্জু মিয়া ক্রয়সুত্রে জমির মালিক হয়ে কেশালীডাঙ্গা মৌজার ২৬ শতক জমি ভোগদখল করে আসছেন। এরই মধ্যে কিশামত বাগচী গ্রামের মৃত ইয়ার মামুদের ছেলে ইয়াকুব আলী ওই জমিটি অহেতুকভাবে দখলের পাঁয়তারা করে আসছেন। এ নিয়ে আদালতে মামলাও চলছিল। তখন মঞ্জুর পক্ষে রায়ের পর আদালত কর্তৃক দখল বুঝিয়ে দেয়। তারপরও ক্ষান্ত নয় ইয়াকুব আলী। মঞ্জু মিয়ার ওই জমিটি জোরপূর্বক দখলের জন্য নানা ফন্দি আটেন। এরই একপর্যায়ে গত ৮ মে দিবাগত রাত প্রায় ১২ টার দিকে ইয়াকুব আলী স্প্রে মেশিন দিয়ে ঘাস মারা ওষুধ ছিটিয়ে ২৬ শতক জমির আধাপাকা ধান বিনষ্ট করে দেয়। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে এক উত্তেজনা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছে স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী মঞ্জু মিয়া বলেন, ক্রয়সুত্রে আমি ওই জমির মালিক। কিন্তু আদালতের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রতিপক্ষ ইয়াকুব আলী জমিটি দখলচেষ্টাসহ আমার ক্ষতি করার জন্য আধাপাকা ধানক্ষেতে তরল ওষুধ ছিটিয়ে নষ্ট করে দিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইয়াকুল আলীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
সুন্দরগঞ্জ থানার এসআই আবু তালেব বলেন, ধানক্ষেত নষ্টের ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। সেটি তদন্ত করে দেখা হবে। সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অপূর্ব ভট্রাচার্য্য বলেন, মঞ্জু মিয়া নামের কৃষকের ধানক্ষেত বিনষ্টের ঘটনাটি জানা নেই। অভিযোগ পেলে ক্ষতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বার্তা প্রেরক
তোফায়েল হোসেন জাকির
সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা
০১৭১০৬৪৮৩৭৭

Reporter Name 




















