
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানজুড়ে চলমান মৌসুমি ভারী বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (NDMA) জানিয়েছে, গত এক মাসে বৃষ্টি ও বন্যাজনিত ঘটনায় অন্তত ১০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। ভারী বর্ষণে ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী কয়েক দিন আরও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে। বিশেষ করে পাঞ্জাব, খাইবার পাখতুনখোয়া, আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান চরম আবহাওয়ার ঘটনা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে। ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যার অভিজ্ঞতার পরও পাকিস্তান আবারও একই ধরনের সংকটের মুখোমুখি হওয়ায় দুর্যোগ প্রস্তুতি ও জলবায়ু অভিযোজন সক্ষমতা জোরদারের দাবি উঠেছে।

Reporter Name 


















