
নিজস্ব প্রতিবেদক: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে একটি পাগলা কুকুরের হামলার পর ভয় আর আতঙ্কে দিন কাটছে স্থানীয়দের। কুকুরটির কামড়ে আহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। আরও কয়েক জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জানা গেছে, গত ২২ এপ্রিল সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের বয়রা কঞ্চিবাড়ী, কঞ্চিবাড়ী ও পাশের ছাপরহাটি ইউনিয়নের মন্ডলেরহাট এলাকায় একটি পাগলা কুকুর হামলা চালায়। এ সময় দুই শিশু ও নারীসহ অন্তত ১৩ জন গুরুতর আহত হন।
আহতদের মধ্যে গত ৩ মে মারা যান কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের বয়রা কঞ্চিবাড়ী গ্রামের নন্দ রানী (৫৫)। এরপর গত ৮ মে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান একই গ্রামের রতনেশ্বর কুমার। সর্বশেষ, আক্রান্ত হওয়ার ১৪ দিন পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন আরেক আহত ব্যক্তি।
পরিবারের সদস্যরা জানান, কুকুরের কামড়ের পর দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলেও সেখানে প্রয়োজনীয় জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন না থাকায় রোগীদের অন্যত্র পাঠানো হয়। এতে চিকিৎসা নিতে দেরি হয়ে যায়।
বর্তমানে গুরুতর আহত আরও একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া দুই নারী ও তিন শিশুসহ কয়েকজন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালে সময় মতো ভ্যাকসিন না থাকায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বাড়ছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।
গাইবান্ধা জেলা সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, কুকুর বা অন্য কোনো প্রাণীর কামড়ের পর ক্ষতস্থান সাবান পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

Reporter Name 







