Dhaka ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সাঘাটায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বানে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ সাঘাটায় বিদেশে পাঠানোর নামে ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি লাওসে এশিয়া ন্যাশনাল ওয়াটার কনসালটেটিভ মিটিংয়ে এমপি মিলন নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার সবসময় থাকবে: এমপি মমতাজ আলো আড়াই বছর ধরে আটকে গাইবান্ধার ৯ সেতুর কাজ, ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কায় দুর্ভোগে মানুষ ধ্বংস আর মৃত্যুর মাঝেও ফুটবলকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াইয়ে ফিলিস্তিনিরা গাইবান্ধায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীল কর্মশালা অনুষ্ঠিত নিরাপদ নওগাঁ গঠনে শিক্ষার্থীদের সাথে র‍্যাবের মতবিনিময় সভা অভিভাবকের উদাসীনতাই তরুণ প্রজন্মের অবক্ষয়ের জন্য দায়ী? এবার সয়াবিন তেলে মিলল বিপুল পরিমাণ মাইক্রোপ্লাস্টিক

ঈদের ছুটিতে হামে ৫৭ শিশুর মৃত্যু চিকিৎসাধীন ৭ হাজারের বেশি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:২০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • ৮৩ Time View

ঈদুল আজহার ছুটির সময়েই হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে ৫৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে ৭ হাজার ১২৭ জন শিশু। আক্রান্ত শিশুদের পাশে থেকে হাসপাতালেই ঈদ কাটাতে হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার পরিবারকে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ১ হাজার ৩২৪ জন চিকিৎসা নিয়েছে, ৭৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ৫৩ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে দেশে হামের প্রকোপ বাড়তে শুরু করে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে নিয়মিত পরিস্থিতির তথ্য প্রকাশ করছে। তাদের হিসাবে, এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে ৭০ হাজার ৯৩৬ জন। এর মধ্যে ৫৬ হাজার ৮৮৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। আর নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৯ জনের।

১৫ মার্চ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত হাম ও এর জটিলতায় ৫৮৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৪৯ জনের বেশি শিশু প্রাণ হারিয়েছে।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বর্তমানে হামের সবচেয়ে বড় জটিলতা হলো নিউমোনিয়া। অনেক ক্ষেত্রে এটি ভয়াবহ আকার নিচ্ছে এবং আক্রান্ত শিশুদের ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

তিনি আরও বলেন, হামের জ্বর বা র‍্যাশ সেরে গেলেও শিশুকে পুরোপুরি সুস্থ ভাবার সুযোগ নেই। কারণ, রোগটি হওয়ার পর চার থেকে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কম থাকে, ফলে অন্যান্য সংক্রমণের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সাঘাটায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বানে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ

ঈদের ছুটিতে হামে ৫৭ শিশুর মৃত্যু চিকিৎসাধীন ৭ হাজারের বেশি

Update Time : ১২:২০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

ঈদুল আজহার ছুটির সময়েই হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে ৫৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে ৭ হাজার ১২৭ জন শিশু। আক্রান্ত শিশুদের পাশে থেকে হাসপাতালেই ঈদ কাটাতে হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার পরিবারকে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ১ হাজার ৩২৪ জন চিকিৎসা নিয়েছে, ৭৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ৫৩ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে দেশে হামের প্রকোপ বাড়তে শুরু করে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে নিয়মিত পরিস্থিতির তথ্য প্রকাশ করছে। তাদের হিসাবে, এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে ৭০ হাজার ৯৩৬ জন। এর মধ্যে ৫৬ হাজার ৮৮৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। আর নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৯ জনের।

১৫ মার্চ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত হাম ও এর জটিলতায় ৫৮৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৪৯ জনের বেশি শিশু প্রাণ হারিয়েছে।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বর্তমানে হামের সবচেয়ে বড় জটিলতা হলো নিউমোনিয়া। অনেক ক্ষেত্রে এটি ভয়াবহ আকার নিচ্ছে এবং আক্রান্ত শিশুদের ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

তিনি আরও বলেন, হামের জ্বর বা র‍্যাশ সেরে গেলেও শিশুকে পুরোপুরি সুস্থ ভাবার সুযোগ নেই। কারণ, রোগটি হওয়ার পর চার থেকে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কম থাকে, ফলে অন্যান্য সংক্রমণের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।