Dhaka ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সাঘাটায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বানে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ সাঘাটায় বিদেশে পাঠানোর নামে ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি লাওসে এশিয়া ন্যাশনাল ওয়াটার কনসালটেটিভ মিটিংয়ে এমপি মিলন নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার সবসময় থাকবে: এমপি মমতাজ আলো আড়াই বছর ধরে আটকে গাইবান্ধার ৯ সেতুর কাজ, ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কায় দুর্ভোগে মানুষ ধ্বংস আর মৃত্যুর মাঝেও ফুটবলকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াইয়ে ফিলিস্তিনিরা গাইবান্ধায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীল কর্মশালা অনুষ্ঠিত নিরাপদ নওগাঁ গঠনে শিক্ষার্থীদের সাথে র‍্যাবের মতবিনিময় সভা অভিভাবকের উদাসীনতাই তরুণ প্রজন্মের অবক্ষয়ের জন্য দায়ী? এবার সয়াবিন তেলে মিলল বিপুল পরিমাণ মাইক্রোপ্লাস্টিক

ইরাকে থাকা মার্কিন ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি ইরানের

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • ২২ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরাকের এরবিলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তারা জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির বড় অংশই এখন কার্যত অকার্যকর।

শনিবার (২৫ জুলাই) ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আক্রমিনিয়া সংবাদমাধ্যমে এ দাবি করেন।

জেনারেল আক্রমিনিয়া বলেন, ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলো গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে এরবিলে থাকা প্রায় সব মার্কিন অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। ফলে সেখানে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত ‘বিপ্লববিরোধী গোষ্ঠীগুলোর’ কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা আর নেই।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পশ্চিম এশিয়া, দক্ষিণ ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে সেনা উপস্থিতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সক্ষমতা পুনর্গঠন করার চেষ্টা করলেও যুদ্ধ চললে ইরান তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবে।

আক্রমিনিয়া জানান, ৪০ দিনের যুদ্ধ শেষে ইরান নতুন প্রজন্মের ড্রোন মোতায়েন করেছে। এসব ড্রোন পূর্বের ‘আরাশ-২’ ড্রোনের চেয়েও বেশি বিধ্বংসী, নিখুঁত ও দীর্ঘপাল্লার। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে নতুন ড্রোনগুলোর বিস্তারিত তথ্য তিনি প্রকাশ করেননি।

ইরানি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, যুদ্ধবিরতির পর ক্ষতিগ্রস্ত অনেক সামরিক সরঞ্জাম মেরামত করে পুনরায় সচল করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ায় ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আগের তুলনায় আরও শক্তিশালী হয়েছে।

তবে ইরানি সেনা মুখপাত্রের এসব দাবির সপক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, মার্কিন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সাঘাটায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বানে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ

ইরাকে থাকা মার্কিন ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি ইরানের

Update Time : ০৮:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরাকের এরবিলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তারা জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির বড় অংশই এখন কার্যত অকার্যকর।

শনিবার (২৫ জুলাই) ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আক্রমিনিয়া সংবাদমাধ্যমে এ দাবি করেন।

জেনারেল আক্রমিনিয়া বলেন, ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলো গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে এরবিলে থাকা প্রায় সব মার্কিন অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। ফলে সেখানে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত ‘বিপ্লববিরোধী গোষ্ঠীগুলোর’ কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা আর নেই।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পশ্চিম এশিয়া, দক্ষিণ ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে সেনা উপস্থিতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সক্ষমতা পুনর্গঠন করার চেষ্টা করলেও যুদ্ধ চললে ইরান তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবে।

আক্রমিনিয়া জানান, ৪০ দিনের যুদ্ধ শেষে ইরান নতুন প্রজন্মের ড্রোন মোতায়েন করেছে। এসব ড্রোন পূর্বের ‘আরাশ-২’ ড্রোনের চেয়েও বেশি বিধ্বংসী, নিখুঁত ও দীর্ঘপাল্লার। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে নতুন ড্রোনগুলোর বিস্তারিত তথ্য তিনি প্রকাশ করেননি।

ইরানি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, যুদ্ধবিরতির পর ক্ষতিগ্রস্ত অনেক সামরিক সরঞ্জাম মেরামত করে পুনরায় সচল করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ায় ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আগের তুলনায় আরও শক্তিশালী হয়েছে।

তবে ইরানি সেনা মুখপাত্রের এসব দাবির সপক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, মার্কিন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।