Dhaka ০২:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির সাংগঠনিক সভা  জ্বালানি তেলের দামে বড় ধাক্কা, লিটারে বাড়ল ২০ টাকা লোকালয়ে শিয়ালের হানা, শিশু-নারীসহ আহত ৯ জন বিশ্বব্যাংক, সরকার ও ডব্লিউএফপির প্রতিনিধিদলের জিইউকে এর প্রকল্প পরিদর্শন গাইবান্ধায় স্ববল প্রকল্পের আওতায় ৫ হাজার ৭৬০টি গাছের চারা বিতরণ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি, যুবক গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি, যুবক গ্রেফতার সুন্দরগঞ্জে চার মিনিটে তিন ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক সুন্দরগঞ্জে ৪ মিনিটে ৩ ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক

জ্বালানি তেলের দামে বড় ধাক্কা, লিটারে বাড়ল ২০ টাকা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২ Time View

ডেস্ক রিপর্টঃ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর খবরে নতুন করে চাপের মুখে পড়তে যাচ্ছেন সাধারণ ভোক্তারা। এক লাফে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। সোমবার থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হবে।

নতুন দরে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকায় বিক্রি হবে। রোববার রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে নতুন দাম ঘোষণা করে।

এর আগে গত জুনে তিন ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা অপরিবর্তিত রেখে কেরোসিন ১৩০ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা থেকে ১৪০ টাকা এবং অকটেন ১৪০ টাকা থেকে ১৪৫ টাকা করা হয়। জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরেও ওই দাম বহাল ছিল।

সরকার জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম এবং পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও দেশে সে অনুপাতে দাম বাড়ানো হয়নি।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদর অনুযায়ী শুধু ডিজেলেই লিটারপ্রতি প্রায় ৮৯ টাকা লোকসান হচ্ছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ১০৯ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

এই হারে লোকসান চলতে থাকলে বছরে শুধু ডিজেলেই প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হবে। লিটারে ২০ টাকা দাম বাড়ানোর ফলে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছে সরকার।

দাম বাড়ানোর আরেকটি কারণ হিসেবে অন্য দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের জ্বালানি তেলের দামের ব্যবধান তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ভারতের কলকাতায় ১৩৪ টাকা ৭৬ পয়সা, মিয়ানমারে ১৬৪ টাকা ৮৩ পয়সা, নেপালে ১৬১ টাকা ২৪ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কায় ১৭৯ টাকা ৪২ পয়সা। থাইল্যান্ডে ১৫১ টাকা ২২ পয়সা, ভিয়েতনামে ১৩৭ টাকা, মালদ্বীপে ১৪০ টাকা ৭১ পয়সা, ফিলিপাইনে ১৬৮ টাকা ৫৩ পয়সা, পাকিস্তানে ১৮৫ টাকা ৪৮ পয়সা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৪৪ টাকা ৭৯ পয়সা।

দেশে জ্বালানি তেলের দাম তুলনামূলক কম থাকায় অন্য দেশে পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি এলএনজি খাতে বড় অঙ্কের ভর্তুকি এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির ব্যয়ের বিষয়টিও দাম বাড়ানোর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

নতুন মূল্য কাঠামো অনুযায়ী, ডিজেলের কর-উত্তর এক্স-রিফাইনারি বা শোধনাগার থেকে খালাস মূল্য লিটারপ্রতি ১২৩ টাকা ৫৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। কেরোসিনে ১৪৩ টাকা ৭৮ পয়সা, অকটেনে ১৪৯ টাকা ৭৮ পয়সা এবং পেট্রোলে ১৪৪ টাকা ৯৯ পয়সা।

এর সঙ্গে ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট, শুল্ক, তেল বিপণন কোম্পানির মার্জিন, সমান পরিবহন ভাড়া তহবিল এবং বিপিসির উন্নয়ন তহবিলের অর্থ যোগ করা হয়েছে। এতে মূল স্থাপনা কেন্দ্র মূল্য দাঁড়িয়েছে ডিজেলে ১৩০ টাকা ১৩ পয়সা, কেরোসিনে ১৫০ টাকা ৮২ পয়সা, অকটেনে ১৫৭ টাকা ১২ পয়সা এবং পেট্রোলে ১৫২ টাকা ২৩ পয়সা।

ডিপো থেকে ৪০ কিলোমিটারের মধ্যে ডিলারের স্থানীয় পরিবহন খরচ রাখা হয়েছে সব ধরনের তেলে লিটারপ্রতি ১ টাকা ১৬ পয়সা। ডিলার ও এজেন্ট কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছে ডিজেলে ৩ টাকা ৭১ পয়সা, কেরোসিনে ৩ টাকা ২ পয়সা, অকটেনে ৬ টাকা ৭২ পয়সা এবং পেট্রোলে ৬ টাকা ৬১ পয়সা।

সব খরচ ও কমিশন যোগ করে ভোক্তা পর্যায়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিপো থেকে ৪০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে ট্যাংকলরিতে জ্বালানি তেল পরিবহনের ভাড়া ২০২৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।

এর আগে ইরান যুদ্ধের কারণে দেশের জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকটের সময় গত ১৮ এপ্রিল চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম এক দফায় বাড়ানো হয়েছিল। তখন ডিজেল ১০০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে ১৩০ টাকা করা হয়।

মার্চে ডিজেলের দাম ছিল লিটারপ্রতি ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা। সোমবার নতুন দাম কার্যকর হলে মার্চের তুলনায় ডিজেলের দাম লিটারে ৩৫ টাকা, অকটেন ৪৫ টাকা, পেট্রোল ৪৪ টাকা এবং কেরোসিন ৪৩ টাকা বেশি হবে।

বাংলাদেশে ২০২৪ সালের মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এই পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য, আমদানি ব্যয়, শুল্ক-কর, ডলারের বিনিময় হার, বিপিসির মার্জিন, ভ্যাট ও বিতরণ ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির সাংগঠনিক সভা 

জ্বালানি তেলের দামে বড় ধাক্কা, লিটারে বাড়ল ২০ টাকা

Update Time : ১১:০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেস্ক রিপর্টঃ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর খবরে নতুন করে চাপের মুখে পড়তে যাচ্ছেন সাধারণ ভোক্তারা। এক লাফে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। সোমবার থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হবে।

নতুন দরে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকায় বিক্রি হবে। রোববার রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে নতুন দাম ঘোষণা করে।

এর আগে গত জুনে তিন ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা অপরিবর্তিত রেখে কেরোসিন ১৩০ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা থেকে ১৪০ টাকা এবং অকটেন ১৪০ টাকা থেকে ১৪৫ টাকা করা হয়। জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরেও ওই দাম বহাল ছিল।

সরকার জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম এবং পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও দেশে সে অনুপাতে দাম বাড়ানো হয়নি।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদর অনুযায়ী শুধু ডিজেলেই লিটারপ্রতি প্রায় ৮৯ টাকা লোকসান হচ্ছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ১০৯ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

এই হারে লোকসান চলতে থাকলে বছরে শুধু ডিজেলেই প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হবে। লিটারে ২০ টাকা দাম বাড়ানোর ফলে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছে সরকার।

দাম বাড়ানোর আরেকটি কারণ হিসেবে অন্য দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের জ্বালানি তেলের দামের ব্যবধান তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ভারতের কলকাতায় ১৩৪ টাকা ৭৬ পয়সা, মিয়ানমারে ১৬৪ টাকা ৮৩ পয়সা, নেপালে ১৬১ টাকা ২৪ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কায় ১৭৯ টাকা ৪২ পয়সা। থাইল্যান্ডে ১৫১ টাকা ২২ পয়সা, ভিয়েতনামে ১৩৭ টাকা, মালদ্বীপে ১৪০ টাকা ৭১ পয়সা, ফিলিপাইনে ১৬৮ টাকা ৫৩ পয়সা, পাকিস্তানে ১৮৫ টাকা ৪৮ পয়সা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৪৪ টাকা ৭৯ পয়সা।

দেশে জ্বালানি তেলের দাম তুলনামূলক কম থাকায় অন্য দেশে পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি এলএনজি খাতে বড় অঙ্কের ভর্তুকি এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির ব্যয়ের বিষয়টিও দাম বাড়ানোর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

নতুন মূল্য কাঠামো অনুযায়ী, ডিজেলের কর-উত্তর এক্স-রিফাইনারি বা শোধনাগার থেকে খালাস মূল্য লিটারপ্রতি ১২৩ টাকা ৫৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। কেরোসিনে ১৪৩ টাকা ৭৮ পয়সা, অকটেনে ১৪৯ টাকা ৭৮ পয়সা এবং পেট্রোলে ১৪৪ টাকা ৯৯ পয়সা।

এর সঙ্গে ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট, শুল্ক, তেল বিপণন কোম্পানির মার্জিন, সমান পরিবহন ভাড়া তহবিল এবং বিপিসির উন্নয়ন তহবিলের অর্থ যোগ করা হয়েছে। এতে মূল স্থাপনা কেন্দ্র মূল্য দাঁড়িয়েছে ডিজেলে ১৩০ টাকা ১৩ পয়সা, কেরোসিনে ১৫০ টাকা ৮২ পয়সা, অকটেনে ১৫৭ টাকা ১২ পয়সা এবং পেট্রোলে ১৫২ টাকা ২৩ পয়সা।

ডিপো থেকে ৪০ কিলোমিটারের মধ্যে ডিলারের স্থানীয় পরিবহন খরচ রাখা হয়েছে সব ধরনের তেলে লিটারপ্রতি ১ টাকা ১৬ পয়সা। ডিলার ও এজেন্ট কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছে ডিজেলে ৩ টাকা ৭১ পয়সা, কেরোসিনে ৩ টাকা ২ পয়সা, অকটেনে ৬ টাকা ৭২ পয়সা এবং পেট্রোলে ৬ টাকা ৬১ পয়সা।

সব খরচ ও কমিশন যোগ করে ভোক্তা পর্যায়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিপো থেকে ৪০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে ট্যাংকলরিতে জ্বালানি তেল পরিবহনের ভাড়া ২০২৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।

এর আগে ইরান যুদ্ধের কারণে দেশের জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকটের সময় গত ১৮ এপ্রিল চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম এক দফায় বাড়ানো হয়েছিল। তখন ডিজেল ১০০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে ১৩০ টাকা করা হয়।

মার্চে ডিজেলের দাম ছিল লিটারপ্রতি ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা। সোমবার নতুন দাম কার্যকর হলে মার্চের তুলনায় ডিজেলের দাম লিটারে ৩৫ টাকা, অকটেন ৪৫ টাকা, পেট্রোল ৪৪ টাকা এবং কেরোসিন ৪৩ টাকা বেশি হবে।

বাংলাদেশে ২০২৪ সালের মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এই পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য, আমদানি ব্যয়, শুল্ক-কর, ডলারের বিনিময় হার, বিপিসির মার্জিন, ভ্যাট ও বিতরণ ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়।