Dhaka ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
১৬তম বিজেএস-এ দেশসেরা গাইবান্ধার আরিফ উল করিম সিয়াম করতোয়া নৌ ট্র্যাজেডির ৪ বছর: আজও কাঁদছে নদী পাড়ের মানুষ ব্রহ্মপুত্রের তীর রক্ষা বাঁধে আবারও ধস, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ পঞ্চগড়ে করতোয়ায় নৌ ট্র্যাজেডির চার বছর: স্বজনহারাদের কান্না আজও থামেনি গোবিন্দগঞ্জে ভারতে পাচারের আগে দুটি কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার, আটক ৩ সাঘাটা ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন বিকাশ ও রবিসহ চার প্রতিষ্ঠান পেল ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিক অনুমোদন গাইবান্ধায় স্পন্দন শিল্পীগোষ্ঠীর মাসিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা গোবিন্দগঞ্জে মাধ্যমিক পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক ওবায়দুল হক আরিফ

বহুপ্রতিক্ষিত তিস্তা নদীতে মাওলানা ভাসানী সেতু’র উদ্বোধন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪৩২ Time View

প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
বহুপ্রতিক্ষিত গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের হরিপুরে তিস্তা নদীর উপর নির্মিত ১হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ ‘মাওলানা ভাসানী সেতু’র উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে সেতুটি উদ্বোধন করবেন অন্তরবর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এসময় উপস্থিত ছিলেন একান্ত সচিব আবুল হাসান, জনসংযোগ কর্মকর্তা সালাউদ্দিন, উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব আয়মন হাসান রাহাত, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা- মাহফুজুল আলম ভূঁইয়া, উপদেষ্টার একান্ত সচিব (এনএসসি) সাইফুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক মাহমুদুল হাসান (এনডিসি), যুগ্ন-সচিব আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খান, উপসচিব শামীম বেপারী, যুগ্ন-সচিব শাহিনুর আলম, জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমেদ, পুলিশ সুপার নিশাত এ্যাঞ্জেলা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজকুমার বিশ্বাস।
গাইবান্ধা-কুড়িগ্রাম জেলার বিচ্ছিন্নতা ঘুচিয়ে সেতুবন্ধনের মাধ্যমে যোগাযোগ সু-দৃঢ় করতে উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নে তিস্তানদীর উপর নির্মিত ১৪৯০ মিটার দীর্ঘ, ৩৯ দশমিক ৬০ মিটার প্রস্থ, ২ লেন ও ৩১ স্প্যানের এ সেতুটি ছাড়াও আরো একটি ৯৬ মিটার আর্চব্রিজ (হাতিরঝিলের ন্যায় নির্মিত ব্রিজ) সহ ১৯টি প্যাকেজ সম্পন্ন করতে নির্মাণ কাজ শুরু করা হয় ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। এর নির্মাণকাল ধরা হয়েছিল ২০২৩ সালের মে পর্যন্ত। আর উদ্বোধন করার কথা ছিল ২০২৩ সালের জুন মাসে। সম্পূরক প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয় ৯২৫ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ সরকার (জিওবি), সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ওফিড) অর্থায়নে ও এলজিইডি’র তত্বাবধানে সেতুটিসহ প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে বলে জানান এলজিইডি’র গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জল চৌধূরী।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল (এলজিডি) বিভাগসহ একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ১৪৯০ মিটার দীর্ঘ ৯ দশমিক ৬ মিটার প্রস্থবিশিষ্ট তিস্তা সেতুর সঙ্গে সুন্দরগঞ্জ-গাইবান্ধা অংশে রয়েছে ১৯টি প্যাকেজ। এর মধ্যে বন্যা ও নদীভাঙন রোধে ২ প্রান্তের ৩ কিলোমিটার স্থানে নদী শাসনের বিশেষ ব্যবস্থা, ৬৩ কিমি দীর্ঘ পাকা রাস্তা, ১১টি ব্রিজ ও ৩৭টি কালভার্ট। এছাড়া আরও ৮০ কিমি অতিরিক্ত সড়ক উন্নায়ন, সংশ্লিষ্ট মাটির কাজ, জমি অধিগ্রহণসহ সম্পূরক প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা। এরমধ্যে দাতা সংস্থা ‘সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) দিচ্ছে ৬৩২ কোটি টাকা। রাষ্ট্রীয়ভাবে দেয়া হচ্ছে ২৯৩ কোটি টাকা।তিস্তা সেতুর বৃহৎ প্রকল্পটি নির্মাণে কাজ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালে এ প্রকল্পটি অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। শিডিউল অনুযায়ী অর্থ ছাড়ের পর ২০১৪ সালের ২৫ জানুয়ারি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। দীর্ঘ নির্মাণকাল পেরিয়ে ৪ দফা উদ্বোধনের সময় পিঁছিয়ে অবশেষে সেতুটি ‘মাওলানা ভাসানীসেতু’ নামে উদ্বোধনের করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

১৬তম বিজেএস-এ দেশসেরা গাইবান্ধার আরিফ উল করিম সিয়াম

বহুপ্রতিক্ষিত তিস্তা নদীতে মাওলানা ভাসানী সেতু’র উদ্বোধন

Update Time : ০৪:০১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
বহুপ্রতিক্ষিত গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের হরিপুরে তিস্তা নদীর উপর নির্মিত ১হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ ‘মাওলানা ভাসানী সেতু’র উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে সেতুটি উদ্বোধন করবেন অন্তরবর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এসময় উপস্থিত ছিলেন একান্ত সচিব আবুল হাসান, জনসংযোগ কর্মকর্তা সালাউদ্দিন, উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব আয়মন হাসান রাহাত, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা- মাহফুজুল আলম ভূঁইয়া, উপদেষ্টার একান্ত সচিব (এনএসসি) সাইফুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক মাহমুদুল হাসান (এনডিসি), যুগ্ন-সচিব আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খান, উপসচিব শামীম বেপারী, যুগ্ন-সচিব শাহিনুর আলম, জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমেদ, পুলিশ সুপার নিশাত এ্যাঞ্জেলা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজকুমার বিশ্বাস।
গাইবান্ধা-কুড়িগ্রাম জেলার বিচ্ছিন্নতা ঘুচিয়ে সেতুবন্ধনের মাধ্যমে যোগাযোগ সু-দৃঢ় করতে উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নে তিস্তানদীর উপর নির্মিত ১৪৯০ মিটার দীর্ঘ, ৩৯ দশমিক ৬০ মিটার প্রস্থ, ২ লেন ও ৩১ স্প্যানের এ সেতুটি ছাড়াও আরো একটি ৯৬ মিটার আর্চব্রিজ (হাতিরঝিলের ন্যায় নির্মিত ব্রিজ) সহ ১৯টি প্যাকেজ সম্পন্ন করতে নির্মাণ কাজ শুরু করা হয় ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। এর নির্মাণকাল ধরা হয়েছিল ২০২৩ সালের মে পর্যন্ত। আর উদ্বোধন করার কথা ছিল ২০২৩ সালের জুন মাসে। সম্পূরক প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয় ৯২৫ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ সরকার (জিওবি), সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ওফিড) অর্থায়নে ও এলজিইডি’র তত্বাবধানে সেতুটিসহ প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে বলে জানান এলজিইডি’র গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জল চৌধূরী।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল (এলজিডি) বিভাগসহ একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ১৪৯০ মিটার দীর্ঘ ৯ দশমিক ৬ মিটার প্রস্থবিশিষ্ট তিস্তা সেতুর সঙ্গে সুন্দরগঞ্জ-গাইবান্ধা অংশে রয়েছে ১৯টি প্যাকেজ। এর মধ্যে বন্যা ও নদীভাঙন রোধে ২ প্রান্তের ৩ কিলোমিটার স্থানে নদী শাসনের বিশেষ ব্যবস্থা, ৬৩ কিমি দীর্ঘ পাকা রাস্তা, ১১টি ব্রিজ ও ৩৭টি কালভার্ট। এছাড়া আরও ৮০ কিমি অতিরিক্ত সড়ক উন্নায়ন, সংশ্লিষ্ট মাটির কাজ, জমি অধিগ্রহণসহ সম্পূরক প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা। এরমধ্যে দাতা সংস্থা ‘সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) দিচ্ছে ৬৩২ কোটি টাকা। রাষ্ট্রীয়ভাবে দেয়া হচ্ছে ২৯৩ কোটি টাকা।তিস্তা সেতুর বৃহৎ প্রকল্পটি নির্মাণে কাজ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালে এ প্রকল্পটি অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। শিডিউল অনুযায়ী অর্থ ছাড়ের পর ২০১৪ সালের ২৫ জানুয়ারি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। দীর্ঘ নির্মাণকাল পেরিয়ে ৪ দফা উদ্বোধনের সময় পিঁছিয়ে অবশেষে সেতুটি ‘মাওলানা ভাসানীসেতু’ নামে উদ্বোধনের করা হয়।