Dhaka ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
খোলা বাজারে সরকারি বীজ বিক্রির দায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড গোবিন্দগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ রংপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা: প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার সাঁতরে পার হওয়ার সময় বাঙালি নদীতে এক বৃদ্ধ নিখোঁজ ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নিতে রাজি মিয়ানমার: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী রংপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেফতার সাঘাটায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বানে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ সাঘাটায় বিদেশে পাঠানোর নামে ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি লাওসে এশিয়া ন্যাশনাল ওয়াটার কনসালটেটিভ মিটিংয়ে এমপি মিলন নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার সবসময় থাকবে: এমপি মমতাজ আলো

গোবিন্দগঞ্জে মামলার আসামিদের গ্রেফতার করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৫৮:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫
  • ৯২ Time View

গোবিন্দগঞ্জ সংবাদদাতাঃ গাইবান্ধা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ এলাকায় সন্ত্রাস, দখল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ত্রাস সৃষ্টি করে চলেছে রবিউল ইসলাম খাজা ও তার অনুসারীরা এমন অভিযোগ তুলে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন জিরাই গ্রামের মো. ইসমাইল হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, গত ৭ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মহিমাগঞ্জের আলিয়া কামিল মাদ্রাসা রোডের রাজুর মোড়ে সুজনের চায়ের দোকানে তিনি ও স্থানীয় বেশ কয়েকজন যুবক চা পান করছিলেন। হঠাৎ রবিউল ইসলাম খাজার ছেলে অনিক সেখানে এসে উত্তেজনাকর আচরণ শুরু করে। অনিক তাকে উদ্দেশ্য করে অভিযোগ করে যে, তিনি নাকি খাজার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। ইসমাইল হোসেন তার কথার সত্যতা যাচাই করতে অনুরোধ করলে অনিক রাগত কণ্ঠে তাকে হুমকি দিয়ে বলে, “তোর মামা আবু বক্কর সিদ্দিক তো তোর পাশে নাই, তোকে মেরে গরুর গোশত দিয়ে ভাত খাওয়াবে।”
এর কিছুক্ষণ পরেই অনিকসহ আরও ২/৩ জন ব্যক্তি এসে ইসমাইল হোসেনের উপর হামলা চালায়, যা স্থানীয় সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজেও দৃশ্যমান। পরে স্থানীয়রা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তবে ঘটনার এখানেই শেষ হয়নি বলে ইসমাইল হোসেন আরো অভিযোগ করেন, দোকান ত্যাগ করে বাসার দিকে যাওয়ার সময় রবিউল ইসলাম খাজা ও তার ছেলে অনিক নেতৃত্বে ১০০-১২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তাকে ঘিরে ফেলে এবং হামলা চালায়। এ সময় ইসমাইল, রাফেল, বুলবুল ও জাকিরকে হত্যার হুমকি দিয়ে আক্রমণ চালানো হয়। সশস্ত্র এই হামলা থেকে আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে সোহেল নামে তার চাচাতো ভাই মাদ্রাসার ভেতরে আশ্রয় নিতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। তারা সোহেলকে মৃত ভেবে সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এ ঘটনায় আরও ৭-৮ জন আহত হন, যারা বর্তমানে চিকিৎসা শেষে বাড়িতে অবস্থান করছেন। পরে, ৯ জুন গোবিন্দগঞ্জ থানায় রবিউল ইসলাম খাজা ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
ইসমাইল হোসেন অভিযোগ বলেন, মামলার পরও খাজা বাহিনীর সদস্যরা প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। উপরন্তু, ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে রবিউল ইসলাম খাজা একটি মাদ্রাসার অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনের নামে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়, যা সামাজিক মাধ্যমে প্রচারও করা হয়। রবিউল ইসলাম খাজা ফ্যসিন্ট আওয়ামীলীগের দোষর দাবি করে বলেন খাজা ইউনিয়ন আওয়াসীলীগ সভাপতির সাথে মিছিল করেছে।
তিনি প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে রবিউল ইসলাম খাজা ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এবং তাদের মিথ্যা প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

kartick kartick

Popular Post

খোলা বাজারে সরকারি বীজ বিক্রির দায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড

গোবিন্দগঞ্জে মামলার আসামিদের গ্রেফতার করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ০৭:৫৮:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

গোবিন্দগঞ্জ সংবাদদাতাঃ গাইবান্ধা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ এলাকায় সন্ত্রাস, দখল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ত্রাস সৃষ্টি করে চলেছে রবিউল ইসলাম খাজা ও তার অনুসারীরা এমন অভিযোগ তুলে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন জিরাই গ্রামের মো. ইসমাইল হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, গত ৭ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মহিমাগঞ্জের আলিয়া কামিল মাদ্রাসা রোডের রাজুর মোড়ে সুজনের চায়ের দোকানে তিনি ও স্থানীয় বেশ কয়েকজন যুবক চা পান করছিলেন। হঠাৎ রবিউল ইসলাম খাজার ছেলে অনিক সেখানে এসে উত্তেজনাকর আচরণ শুরু করে। অনিক তাকে উদ্দেশ্য করে অভিযোগ করে যে, তিনি নাকি খাজার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। ইসমাইল হোসেন তার কথার সত্যতা যাচাই করতে অনুরোধ করলে অনিক রাগত কণ্ঠে তাকে হুমকি দিয়ে বলে, “তোর মামা আবু বক্কর সিদ্দিক তো তোর পাশে নাই, তোকে মেরে গরুর গোশত দিয়ে ভাত খাওয়াবে।”
এর কিছুক্ষণ পরেই অনিকসহ আরও ২/৩ জন ব্যক্তি এসে ইসমাইল হোসেনের উপর হামলা চালায়, যা স্থানীয় সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজেও দৃশ্যমান। পরে স্থানীয়রা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তবে ঘটনার এখানেই শেষ হয়নি বলে ইসমাইল হোসেন আরো অভিযোগ করেন, দোকান ত্যাগ করে বাসার দিকে যাওয়ার সময় রবিউল ইসলাম খাজা ও তার ছেলে অনিক নেতৃত্বে ১০০-১২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তাকে ঘিরে ফেলে এবং হামলা চালায়। এ সময় ইসমাইল, রাফেল, বুলবুল ও জাকিরকে হত্যার হুমকি দিয়ে আক্রমণ চালানো হয়। সশস্ত্র এই হামলা থেকে আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে সোহেল নামে তার চাচাতো ভাই মাদ্রাসার ভেতরে আশ্রয় নিতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। তারা সোহেলকে মৃত ভেবে সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এ ঘটনায় আরও ৭-৮ জন আহত হন, যারা বর্তমানে চিকিৎসা শেষে বাড়িতে অবস্থান করছেন। পরে, ৯ জুন গোবিন্দগঞ্জ থানায় রবিউল ইসলাম খাজা ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
ইসমাইল হোসেন অভিযোগ বলেন, মামলার পরও খাজা বাহিনীর সদস্যরা প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। উপরন্তু, ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে রবিউল ইসলাম খাজা একটি মাদ্রাসার অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনের নামে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়, যা সামাজিক মাধ্যমে প্রচারও করা হয়। রবিউল ইসলাম খাজা ফ্যসিন্ট আওয়ামীলীগের দোষর দাবি করে বলেন খাজা ইউনিয়ন আওয়াসীলীগ সভাপতির সাথে মিছিল করেছে।
তিনি প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে রবিউল ইসলাম খাজা ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এবং তাদের মিথ্যা প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।