
গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনি ধি: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যম অর্থ আদায়ের ঘটনায় একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৩ (এসআরবি-১৩)। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণায় ব্যবহৃত ৯টি মোবাইল ফোন, একটি পাসপোর্ট ও নগদ ১৪ হাজার ১০০ টাকা জব্দ করা হয়।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন বিশ্বনাথপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের আইদুল হোসেনের ছেলে সোহেল মন্ডল ( ২৭) এবং হাসেম আলীর ছেলে হেলাল ইসলাম( ২২)।
এসআরবি জানায়, গত ২০ জুলাই নাটোর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত মো. আমিনুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কল করে প্রতারকরা জানায়, তার ছেলে তামিম আল মাহী কয়েকজন বন্ধুসহ মাদকসহ পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন। পরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার ছেলের কণ্ঠসদৃশ কণ্ঠে কথা বলে বিশ্বাস অর্জন করে প্রতারকরা।
ছেলেকে ছাড়িয়ে নিতে টাকা প্রয়োজন —এমন কথা বলে প্রতারকরা আমিনুল ইসলামের কাছে অর্থ দাবি করে। তাদের কথামতো তিনি দুই দফায় নগদের মাধ্যমে মোট ৪০ হাজার টাকা পাঠান। পরে ছেলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তিনি বুঝতে পারেন, প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
এ ঘটনায় আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ২৫ সেপ্টেম্বর নাটোর সদর থানায় প্রতারণার মামলা করেন।
মামলার পর ঘটনাটির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে প্রতারক চক্র শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে এসআরবি। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারক চক্রের সদস্যদের অবস্থান শনাক্ত করে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে অভিযান চালানো হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন এ ধরনের প্রতারণার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে এসআরবি। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে গোবিন্দগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Reporter Name 


















