Dhaka ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
গণমাধ্যমের অন্দরমহলে নিঃশব্দ মৃত্যুমিছিল:কাল হয়তো আমরা কেউ… ব্যবসায়ীর মুখোশে ভয়ংকর প্রতারণা: হাতিয়েছে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার দেড় লক্ষ টাকা স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু নভেম্বরের মাঝামাঝিতে খাটের নিচে লুকোচুরি: মামী-ভাগ্নের কাণ্ডে পলাশবাড়িতে তুলকালাম মেসির উদাহরণ টেনে ইয়ামালকে সতর্ক করলেন সাবেক বার্সা তারকা তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফর ঘিরে প্রবাসীদের ব্যাপক প্রস্তুতি রুশ ড্রোনের নিশানায় সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক সিআইএ প্রধান ? ৫ কোটি টাকার পানি শোধনাগার দুই বছরেও চালু হয়নি , ১৫ দিনের মধ্যে চালুর আল্টিমেটাম সার্ভার হ্যাক করে এনআইডি-সিডিআরসহ গোপন তথ্য সরবরাহ; যুবক গ্রেপ্তার জাভা সাগরে উল্টে গেল যাত্রীবাহী জাহাজ, ৬ জনের মৃত্যু—নিখোঁজ ১৩০

এক রসিদ বিক্রি ১০ জনের কাছে, খাতুনগঞ্জে ৬০০ মধ্যস্বত্বভোগী শনাক্ত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:০৮:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩
  • ৩৭৯ Time View

পেঁয়াজসহ কয়েকটি পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে দেশের অন্যতম বৃহত্তম ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে ৬০০’র বেশি মধ্যস্বত্বভোগীকে শনাক্ত করেছে জেলা প্রশাসন। যারা দাম বৃদ্ধির কারসাজিতে জড়িত। 

অভিযানে দেখা যায়, ডিমান্ড অর্ডারের (ডিও) মাধ্যমে শুধুমাত্র একটি ক্রয় রসিদই বিক্রি হচ্ছে ১০ জনেরও বেশি মানুষের কাছে

 

রোববার (২১ মে) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুকের নেতৃত্বে বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

এ সময় মূল্যতালিকা না থাকা এবং ক্রয়-বিক্রয় রসিদ সংরক্ষণ না করাসহ নানা অনিয়মের দায়ে বার আওলিয়া ট্রেডার্সকে ৫ হাজার টাকা এবং ফরিদপুর বাণিজ্যালয়কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া জাহেদ নামের একজন বেপারীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, বাজারে পাইকারি এবং খুচরা ব্যবসায়ীর মধ্যে মধ্যস্বত্বভোগী একটা সিন্ডিকেট রয়েছে। যারা পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে অনেকাংশে দায়ী। এইখানে ডিমান্ড অর্ডারের (ডিও) মাধ্যমে শুধুমাত্র একটি ক্রয় রসিদই বিক্রি হয় ১০ জনের অধিকের কাছে। আমরা বিভিন্ন ট্রেডিংয়ের দোকান থেকে ৬০০ এর উপরে মধ্যসত্বভোগীদের নাম এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহে নিয়েছি। যাদের মাধ্যমে একটি পণ্যের দাম হাত বদল হয়ে বাড়তে থাকে। এইখানে মধ্যস্বত্বভোগীদের পাশাপাশি মিল মালিকদের কারসাজিও আছে। এই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে এদের ট্রেড লাইসেন্স চেকিংসহ পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টার সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে আমরা সিন্ডিকেটের কিছু নামের তালিকা সংগ্রহ করেছি।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গণমাধ্যমের অন্দরমহলে নিঃশব্দ মৃত্যুমিছিল:কাল হয়তো আমরা কেউ…

এক রসিদ বিক্রি ১০ জনের কাছে, খাতুনগঞ্জে ৬০০ মধ্যস্বত্বভোগী শনাক্ত

Update Time : ০৮:০৮:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩

পেঁয়াজসহ কয়েকটি পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে দেশের অন্যতম বৃহত্তম ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে ৬০০’র বেশি মধ্যস্বত্বভোগীকে শনাক্ত করেছে জেলা প্রশাসন। যারা দাম বৃদ্ধির কারসাজিতে জড়িত। 

অভিযানে দেখা যায়, ডিমান্ড অর্ডারের (ডিও) মাধ্যমে শুধুমাত্র একটি ক্রয় রসিদই বিক্রি হচ্ছে ১০ জনেরও বেশি মানুষের কাছে

 

রোববার (২১ মে) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুকের নেতৃত্বে বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

এ সময় মূল্যতালিকা না থাকা এবং ক্রয়-বিক্রয় রসিদ সংরক্ষণ না করাসহ নানা অনিয়মের দায়ে বার আওলিয়া ট্রেডার্সকে ৫ হাজার টাকা এবং ফরিদপুর বাণিজ্যালয়কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া জাহেদ নামের একজন বেপারীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, বাজারে পাইকারি এবং খুচরা ব্যবসায়ীর মধ্যে মধ্যস্বত্বভোগী একটা সিন্ডিকেট রয়েছে। যারা পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে অনেকাংশে দায়ী। এইখানে ডিমান্ড অর্ডারের (ডিও) মাধ্যমে শুধুমাত্র একটি ক্রয় রসিদই বিক্রি হয় ১০ জনের অধিকের কাছে। আমরা বিভিন্ন ট্রেডিংয়ের দোকান থেকে ৬০০ এর উপরে মধ্যসত্বভোগীদের নাম এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহে নিয়েছি। যাদের মাধ্যমে একটি পণ্যের দাম হাত বদল হয়ে বাড়তে থাকে। এইখানে মধ্যস্বত্বভোগীদের পাশাপাশি মিল মালিকদের কারসাজিও আছে। এই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে এদের ট্রেড লাইসেন্স চেকিংসহ পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টার সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে আমরা সিন্ডিকেটের কিছু নামের তালিকা সংগ্রহ করেছি।