Dhaka ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রংপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা: প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার সাঁতরে পার হওয়ার সময় বাঙালি নদীতে এক বৃদ্ধ নিখোঁজ ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নিতে রাজি মিয়ানমার: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী রংপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেফতার সাঘাটায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বানে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ সাঘাটায় বিদেশে পাঠানোর নামে ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি লাওসে এশিয়া ন্যাশনাল ওয়াটার কনসালটেটিভ মিটিংয়ে এমপি মিলন নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার সবসময় থাকবে: এমপি মমতাজ আলো আড়াই বছর ধরে আটকে গাইবান্ধার ৯ সেতুর কাজ, ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কায় দুর্ভোগে মানুষ ধ্বংস আর মৃত্যুর মাঝেও ফুটবলকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াইয়ে ফিলিস্তিনিরা

বিশ্বকে চমকে দিচ্ছে ইরানের দ্রুত সামরিক উত্থান ও ড্রোন উৎপাদন কৌশল

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:১৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • ৯৭ Time View

 আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

গত এপ্রিলের শুরুতে কার্যকর হওয়া ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরান তাদের ড্রোন উৎপাদন ও সামগ্রিক সামরিক শক্তি পুনঃপুনর্গঠন শুরু করেছে। মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, দেশটির সামরিক বাহিনী প্রাথমিক পূর্বাভাসের চেয়েও বহু গুণ দ্রুত গতিতে নিজেদের সামরিক শিল্পখাত ও কৌশলগত ঘাঁটিগুলো পুনর্গঠন করছে। চলমান সংঘাতের সময় ধ্বংস হওয়া ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, লঞ্চার এবং প্রধান প্রধান অস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থা নতুন করে সচল করছে তেহরান।

এর সরাসরি অর্থ হলো, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি পুনরায় সামরিক অভিযান বা বোমাবর্ষণ শুরু করেন, তবে মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের মিত্রদের জন্য ইরান এখনও একটি বড় ধরণের নিরাপত্তা হুমকি। একই সঙ্গে এই অভাবনীয় অগ্রগতি দীর্ঘমেয়াদে ইরানের সামরিক শক্তি কতটা দুর্বল করা গেছে, তা নিয়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ দাবিকে বড়সড় প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

অস্ত্রের বিভিন্ন জটিল যন্ত্রাংশ তৈরির সময়সীমা ভিন্ন হলেও একজন শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, গোয়েন্দা হিসাব অনুযায়ী ইরান আগামী ছয় মাসের মধ্যেই তাদের ড্রোন হামলার পূর্ণ সক্ষমতা ফিরে পেতে পারে। ওই কর্মকর্তা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে মার্কিন গোয়েন্দা কমিউনিটির দেওয়া সব সম্ভাব্য সময়সীমা পার করে গেছে ইরানিরা।”

সামরিক विशेषज्ञों আশঙ্কা, যদি পুনরায় সংঘাত শুরু হয়, তবে ইরান তাদের ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ক্ষমতার ঘাটতি মেটাতে বিপুল পরিমাণ ঝাঁক-ড্রোন (Drone Swarm) ব্যবহার করতে পারে। এই ড্রোনগুলো নিখুঁতভাবে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর কৌশলগত স্থাপনায় আঘাত হানতে সক্ষম।

একটি গোয়েন্দা সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশার চেয়ে মূল অবকাঠামোতে কম ক্ষয়ক্ষতি হওয়া এবং রাশিয়া ও চীনের পরোক্ষ সহযোগিতার কারণে ইরান এত দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারছে। গোয়েন্দা সূত্রমতে, কঠোর মার্কিন ব্লকেড বা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চীন ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল সরবরাহ করে গেছে।

সম্প্রতি সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, চীন ইরানকে ‘ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অত্যাধুনিক উপাদান’ দিচ্ছে। তবে বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এদিকে মার্কিন সামরিক ও নীতিনির্ধারণী মহলে ইরানের এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে স্পষ্ট মতবিরোধ ও চরম বৈপরীত্য দেখা গেছে। গত মঙ্গলবার মার্কিন হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানিতে সেন্টকম কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার দাবি করেন, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ইরানের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ধসিয়ে দিয়েছে। তাদের প্রতিরক্ষা শিল্প ঘাঁটির ৯০ শতাংশই গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা পুনর্গঠন করতে তেহরানের কয়েক বছর লেগে যাবে।

তবে মার্কিন গোয়েন্দাদের সাম্প্রতিক মূল্যায়ন বলছে, সেন্টকম কমান্ডারের এই দাবি অতিমূল্যায়িত। মার্কিন হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পের যে ক্ষতি হয়েছে, তা তাদের পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে বড়জোর মাত্র কয়েক মাস পিছিয়ে দিয়েছে, কয়েক বছর নয়।

পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মন্তব্য না করে এক বিবৃতিতে বলেন, “আমেরিকান সামরিক বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং প্রেসিডেন্টের নির্দেশ অনুযায়ী যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে অভিযান চালানোর সব সক্ষমতা আমাদের রয়েছে।”

মার্কিন গোয়েন্দাদের সাম্প্রতিক গোপন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, ইরানের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এখনও সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে। যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরানি প্রকৌশলীরা মাটির নিচে বা ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা লঞ্চারগুলো দ্রুত খনন করে বের করতে সক্ষম হয়েছে। এ ছাড়া ইরানের মূল ড্রোন সক্ষমতার প্রায় ৫০ শতাংশ এবং হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হুমকি স্বরূপ উপকূলীয় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর একটি বড় অংশই অক্ষত রয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনগুলো স্পষ্ট নির্দেশ করে যে—যুদ্ধ ইরানের সামরিক শক্তিকে সাময়িক স্থিমিত করলেও তা একেবারে ধ্বংস করতে পারেনি; বরং তেহরান অত্যন্ত কার্যকর ও দ্রুততার সাথে যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব কাটিয়ে উঠছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রংপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা: প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার

বিশ্বকে চমকে দিচ্ছে ইরানের দ্রুত সামরিক উত্থান ও ড্রোন উৎপাদন কৌশল

Update Time : ০৪:১৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

 আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

গত এপ্রিলের শুরুতে কার্যকর হওয়া ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরান তাদের ড্রোন উৎপাদন ও সামগ্রিক সামরিক শক্তি পুনঃপুনর্গঠন শুরু করেছে। মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, দেশটির সামরিক বাহিনী প্রাথমিক পূর্বাভাসের চেয়েও বহু গুণ দ্রুত গতিতে নিজেদের সামরিক শিল্পখাত ও কৌশলগত ঘাঁটিগুলো পুনর্গঠন করছে। চলমান সংঘাতের সময় ধ্বংস হওয়া ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, লঞ্চার এবং প্রধান প্রধান অস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থা নতুন করে সচল করছে তেহরান।

এর সরাসরি অর্থ হলো, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি পুনরায় সামরিক অভিযান বা বোমাবর্ষণ শুরু করেন, তবে মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের মিত্রদের জন্য ইরান এখনও একটি বড় ধরণের নিরাপত্তা হুমকি। একই সঙ্গে এই অভাবনীয় অগ্রগতি দীর্ঘমেয়াদে ইরানের সামরিক শক্তি কতটা দুর্বল করা গেছে, তা নিয়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ দাবিকে বড়সড় প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

অস্ত্রের বিভিন্ন জটিল যন্ত্রাংশ তৈরির সময়সীমা ভিন্ন হলেও একজন শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, গোয়েন্দা হিসাব অনুযায়ী ইরান আগামী ছয় মাসের মধ্যেই তাদের ড্রোন হামলার পূর্ণ সক্ষমতা ফিরে পেতে পারে। ওই কর্মকর্তা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে মার্কিন গোয়েন্দা কমিউনিটির দেওয়া সব সম্ভাব্য সময়সীমা পার করে গেছে ইরানিরা।”

সামরিক विशेषज्ञों আশঙ্কা, যদি পুনরায় সংঘাত শুরু হয়, তবে ইরান তাদের ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ক্ষমতার ঘাটতি মেটাতে বিপুল পরিমাণ ঝাঁক-ড্রোন (Drone Swarm) ব্যবহার করতে পারে। এই ড্রোনগুলো নিখুঁতভাবে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর কৌশলগত স্থাপনায় আঘাত হানতে সক্ষম।

একটি গোয়েন্দা সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশার চেয়ে মূল অবকাঠামোতে কম ক্ষয়ক্ষতি হওয়া এবং রাশিয়া ও চীনের পরোক্ষ সহযোগিতার কারণে ইরান এত দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারছে। গোয়েন্দা সূত্রমতে, কঠোর মার্কিন ব্লকেড বা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চীন ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল সরবরাহ করে গেছে।

সম্প্রতি সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, চীন ইরানকে ‘ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অত্যাধুনিক উপাদান’ দিচ্ছে। তবে বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এদিকে মার্কিন সামরিক ও নীতিনির্ধারণী মহলে ইরানের এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে স্পষ্ট মতবিরোধ ও চরম বৈপরীত্য দেখা গেছে। গত মঙ্গলবার মার্কিন হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানিতে সেন্টকম কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার দাবি করেন, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ইরানের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ধসিয়ে দিয়েছে। তাদের প্রতিরক্ষা শিল্প ঘাঁটির ৯০ শতাংশই গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা পুনর্গঠন করতে তেহরানের কয়েক বছর লেগে যাবে।

তবে মার্কিন গোয়েন্দাদের সাম্প্রতিক মূল্যায়ন বলছে, সেন্টকম কমান্ডারের এই দাবি অতিমূল্যায়িত। মার্কিন হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পের যে ক্ষতি হয়েছে, তা তাদের পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে বড়জোর মাত্র কয়েক মাস পিছিয়ে দিয়েছে, কয়েক বছর নয়।

পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মন্তব্য না করে এক বিবৃতিতে বলেন, “আমেরিকান সামরিক বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং প্রেসিডেন্টের নির্দেশ অনুযায়ী যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে অভিযান চালানোর সব সক্ষমতা আমাদের রয়েছে।”

মার্কিন গোয়েন্দাদের সাম্প্রতিক গোপন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, ইরানের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এখনও সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে। যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরানি প্রকৌশলীরা মাটির নিচে বা ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা লঞ্চারগুলো দ্রুত খনন করে বের করতে সক্ষম হয়েছে। এ ছাড়া ইরানের মূল ড্রোন সক্ষমতার প্রায় ৫০ শতাংশ এবং হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হুমকি স্বরূপ উপকূলীয় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর একটি বড় অংশই অক্ষত রয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনগুলো স্পষ্ট নির্দেশ করে যে—যুদ্ধ ইরানের সামরিক শক্তিকে সাময়িক স্থিমিত করলেও তা একেবারে ধ্বংস করতে পারেনি; বরং তেহরান অত্যন্ত কার্যকর ও দ্রুততার সাথে যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব কাটিয়ে উঠছে।